অডিও ও ভিডিওঅডিও ও ভিডিও [আল হিকমাহ]আল-হিকমাহ মিডিয়ানির্বাচিত

চিন্তাধারা সিরিজ- ১৩ | শাহাদাতের ফযিলত -শাইখ যাকারিয়া (হামযাহ আল হাত্তার) রহিমাহুল্লাহ


مؤسسة الحكمة
আল হিকমাহ মিডিয়া
Al-Hikmah Media

تـُــقدم
পরিবেশিত
Presents

الترجمة البنغالية
বাংলা অনুবাদ
Bengali Translation

بعنوان:
শিরোনাম:
Titled

سلسلة مفاهيم -١٣
فضل الشهادة

চিন্তাধারা সিরিজ- ১৩
শাহাদাতের ফযিলত

Thought series- 13
The virtue of martyrdom

للشيخ زكريا (حمزة الهتار) رحمه الله
শাইখ যাকারিয়া (হামযাহ আল হাত্তার) রহিমাহুল্লাহ
By Sheikh Zakaria (Hamzah Al Hattar) Rahimahullah

 

 

 

 

 

 

 


للمشاهدة المباشرة والتحميل
সরাসরি দেখুন ও ডাউনলোড করুন
For Direct Viewing and Downloading

লিংক-১ : https://mediagram.me/e88dcbb2c1215af1
লিংক-২ : https://noteshare.id/CeANo1g
লিংক-৩ : https://web.archive.org/web/20210809…/cintadhara-13
লিংক-৪ : https://web.archive.org/web/20210809…8dcbb2c1215af1
লিংক-৫ : https://web.archive.org/web/20210809…are.id/CeANo1g


روابط الجودة الاصلية
FULL HD 1080 (252 MB)
মূল রেজুলেশন [২৫২ মেগাবাইট]

লিংক-১ : https://banglafiles.net/index.php/s/qY9ZbP5JGzSdMNF
লিংক-২ : https://archive.org/download/mafahim-13/Mafahim%2013.mp4
লিংক-৩ : https://drive.internxt.com/sh/file/8b729fa4-938b-409b-9be2-4ecc129f1cae/fa13d175c8329f19ea9a8435180d28976e658e5702f42b0189156d586773ac7e
লিংক-৪ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0y7f15dc37d2e1492f9808329db969d660

 

روابط الجودة العالية
HQ 1080 (64.5 MB)
১০৮০ রেজুলেশন [৬৪.৫ মেগাবাইট]

লিংক-১ : https://banglafiles.net/index.php/s/7fs88ZgTQ8Z3Q6E
লিংক-২ : https://krakenfiles.com/view/P8i7zmOM99/file.html
লিংক-৩ : https://archive.org/download/mafahim-13/Mafahim%2013%20HQ.mp4
লিংক-৪ : https://drive.internxt.com/sh/file/025067c7-86f5-4a43-996b-1e1c413f21db/5a6944ad6a5674c83c430e697af2a9494821574379b709707d3da368b0e13207
লিংক-৫ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0y39327fdeda314908a30e31f526ab819b

 

روابط الجودة المتوسطة
MQ 720 (27.8 MB)
৭২০ রেজুলেশন [২৭.৮ মেগাবাইট]

লিংক-১ : https://banglafiles.net/index.php/s/7bTm8r4Hizpcadt
লিংক-২ : https://krakenfiles.com/view/YjtWSylDyb/file.html
লিংক-৩ : https://archive.org/download/mafahim-13/Mafahim%2013%20MQ.mp4
লিংক-৪ : https://drive.internxt.com/sh/file/9c47cf07-445e-4641-8988-639ab9ef30fe/25d05b79946c043035058b8f81a28193f1fa4ceb673233ebb71f81435c9fa233
লিংক-৫ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0y43e4c6df045e42af8ae709713c049de1

 

روابط الجودة المنخفضة
LQ 360 (13.2 MB)
৩৬০ রেজুলেশন [১৩.২ মেগাবাইট]

লিংক-১ : https://banglafiles.net/index.php/s/bFoP3z9mxenTGB5
লিংক-২ : https://krakenfiles.com/view/wZyeprPlL0/file.html
লিংক-৩ : https://archive.org/download/mafahim-13/Mafahim%2013%20LQ.mp4
লিংক-৪ : https://drive.internxt.com/sh/file/7b349dae-275e-486d-9e29-cc555362f5b4/fc27031417785598d55cfd96366614edbd7cf08c052dd45a374bdc8ea532e2be

 

روابط جودة الجوال
Mobile Qoality (15 MB)
3GP রেজুলেশন [১৫ মেগাবাইট]

লিংক-১ : https://banglafiles.net/index.php/s/5ggNjqzKBsMZZSJ
লিংক-২ : https://krakenfiles.com/view/mLzwsOC7q0/file.html
লিংক-৩ : https://archive.org/download/mafahim-13/Mafahim%2013.3gp
লিংক-৪ : https://drive.internxt.com/sh/file/a7f4af09-f28d-412c-bb6c-95a60815c935/3898a334592d9652c07653d999b14702c6f491a9c57a552382a135a30f7547b6
লিংক-৫ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0ye494074964d94768803ded5b6c3ff6dc

 

 

پی ڈی ایف
PDF (835 KB)
পিডিএফ ডাউনলোড করুন [৮৩৫ কিলোবাইট]

লিংক-১ : https://archive.org/download/mafahim-13/MafahimSeries-13.pdf
লিংক-২ : https://drive.internxt.com/sh/file/041368cb-73d3-44a5-84c8-94ecfdbc2da2/99337d1c55301e0a9d14cb38889a79969ad7fcf0f89ee19039136e57dc671915
লিংক-৩ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0y91ba33389a8e4ae58408f3a4b82b3c62

 

ورڈ
WORD (669 KB)
ওয়ার্ড ডাউনলোড করুন [৬৬৯ কিলোবাইট]

লিংক-১ : https://archive.org/download/mafahim-13/MafahimSeries-13.docx
লিংক-২ : https://drive.internxt.com/sh/file/f3670ebf-81a8-47de-b72e-d9a3f85f65ac/10cf57162158d308a2a34fa10a819e7ceebb2799a4a2d7986d2235945146000b
লিংক-৩ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0y79e09b3feacd400d9be3f408275c02f2

 

غلاف
book cover [565 KB] বুক কভার [৫৬৫ কিলোবাইট]

লিংক-১ : https://archive.org/download/mafahim-13/MafahimSeries-Cover-13.jpg
লিংক-২ : https://drive.internxt.com/sh/file/82ebb3f0-067e-4546-9f8b-6c65de446429/f112b41d1df3ac344ebafba0c29b121c71d0efda111b8e35a0c9674c5f0d53b9
লিংক-৩ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0y80edab69af42462d8c22ea542a2de939


روابط الغلاف
Banner [974 KB] ব্যানার ডাউনলোড করুন [৯৭৪ কিলোবাইট]

লিংক-১ : https://banglafiles.net/index.php/s/gNRizF3TZsBqG86
লিংক-২ : https://krakenfiles.com/view/ByPzDPXQrB/file.html
লিংক-৩ : https://archive.org/download/mafahim-13/Mafahim%2013.jpg
লিংক-৪ : https://drive.internxt.com/sh/file/582ebf1a-16e6-49fd-be17-f4f2ac062140/473b2356b9198c346e5ec2326a2bc2e8fe9e652d06c36e381d2cfb2b8c45d625
লিংক-৫ : https://workdrive.zohoexternal.com/file/tcp0y547e7003a804416c84cf7707c59a15b5

==============================

চিন্তাধারা সিরিজ- ১৩

শাহাদাতের ফযিলত

শাইখ যাকারিয়া (হামযাহ আল হাত্তার) রহিমাহুল্লাহ

 

অনুবাদ ও প্রকা শনা

এটা শাহাদাতের পথ। জান্নাতের সবচে’ সহজ পথ। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জানিয়েছেন, শহীদদের বাড়ি হল সবচে’ সুন্দর বাড়ি। তিনি সকল মুমিনদের বাড়িতে প্রবেশ করেছেন, কিন্তু শহীদদের বাড়ি থেকে উত্তম বাড়ি দেখেননি। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন: জান্নাত তরবারির ছায়াতলে এবং জান্নাতের সবচে’ কাছাকাছি পথ হল আল্লাহর পথে যুদ্ধ। এটা সবচে’ শ্রেষ্ঠ আমল- যেমন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর হাদিসে এসেছে, তিনি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলেন:

نَرَى الْجِهَادَ أَفْضَلَ الْعَمَلِ، أَفَلاَ نُجَاهِدُ

“হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জানি, জিহাদ সর্বোত্তম আমল। তাহলে আমরা কি জিহাদ করবো না?” (সহীহ বুখারী)

সুতরাং সেই সকল লোকদের জন্য মোবারকবাদ, যারা এ পথে চলেছেন, এ ময়দানে বিচরণ করেছেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করে সওয়াবের নিয়তে এ পথে অটল থেকেছেন। তথা জান্নাতের পথে।

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: জান্নাতকে অপছন্দনীয় বিষয়াবলী দ্বারা বেষ্টন করে রাখা হয়েছে।

أَمْ حَسِبْتُمْ أَن تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَعْلَمِ اللَّهُ الَّذِينَ جَاهَدُوا مِنكُمْ وَيَعْلَمَ الصَّابِرِينَ

“তোমাদের কি ধারণা, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে? অথচ আল্লাহ এখনও দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা জেহাদ করেছে এবং কারা ধৈর্যশীল।“ (সূরা আল- ইমরান ৩:১৪২)

أَمْ حَسِبْتُمْ أَن تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَأْتِكُم مَّثَلُ الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلِكُم ۖ مَّسَّتْهُمُ الْبَأْسَاءُ وَالضَّرَّاءُ وَزُلْزِلُوا حَتَّىٰ يَقُولَ الرَّسُولُ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ مَتَىٰ نَصْرُ اللَّهِ ۗ أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ

“তোমাদের কি এই ধারণা যে, তোমরা জান্নাতে চলে যাবে, অথচ সে লোকদের অবস্থা অতিক্রম করোনি যারা তোমাদের পূর্বে অতীত হয়েছে। তাদের উপর এসেছে বিপদ ও কষ্ট। আর এমনিভাবে শিহরিত হতে হয়েছে যাতে নবী ও তাঁর প্রতি যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে পর্যন্ত একথা বলতে হয়েছে যে, কখন আসবে আল্লাহর সাহায্যে! তোমরা শুনে নাও, আল্লাহর সাহায্যে একান্তই নিকটবর্তী।“ (সূরা বাকারা ২:২১৪)

আল্লাহ তা’আলা ওয়াদা দিয়েছেন: ]

إِنَّا لَنَنصُرُ رُسُلَنَا وَالَّذِينَ آمَنُوا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَيَوْمَ يَقُومُ الْأَشْهَادُ

“আমি আমার রাসূলগণকে ও ঈমানদারগণকে সাহায্য করবো পার্থিব জীবনেও এবং যেদিন সমস্ত সাক্ষীগণ দাঁড়াবে, সেদিনও।“ [সুরা মু’মিন – ৪০:৫১]

সুতরাং যদি বিজয় না হয়, তবু সেটা দুই কল্যাণের একটি।

আল্লাহ তা’আলা বলেন:

قُلْ هَلْ تَرَبَّصُونَ بِنَا إِلاَّ إِحْدَى الْحُسْنَيَيْنِ وَنَحْنُ نَتَرَبَّصُ بِكُمْ أَن يُصِيبَكُمُ اللّهُ بِعَذَابٍ مِّنْ عِندِهِ أَوْ بِأَيْدِينَا فَتَرَبَّصُواْ إِنَّا مَعَكُم مُّتَرَبِّصُونَ

“আপনি বলুন, তোমরা তো তোমাদের জন্যে দুটি কল্যাণের একটি প্রত্যাশা কর; আর আমরা প্রত্যাশায় আছি তোমাদের জন্যে যে, আল্লাহ তোমাদের আযাব দান করুন নিজের পক্ষ থেকে অথবা আমাদের হস্তে। সুতরাং তোমরা অপেক্ষা কর, আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষমাণ।“ [সুরা তাওবা – ৯:৫২]

সুতরাং বল, তোমরা আমাদের ব্যাপারে যার অপেক্ষা করছো, তা তো দুই কল্যাণের কোন একটি ছাড়া আর কিছু নয়। হয়ত শাহাদাহ নয়ত বিজয় ও সফলতা।

وَلَا تَقُولُوا لِمَن يُقْتَلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتٌ ۚ بَلْ أَحْيَاءٌ وَلَٰكِن لَّا تَشْعُرُونَ

“আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের মৃত বলো না। বরং তারা জীবিত, কিন্তু তোমরা তা বুঝ না।” (সূরা বাকারা ২:১৫৪)

আমরা বুঝি না। শহীদগণ আল্লাহ তা’আলার নিকট জীবিত। এটা নিশ্চিত সংবাদ। আল্লাহ প্রদত্ত সংবাদ। রবের দেওয়া সংবাদ।

وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا ۚ بَلْ أَحْيَاءٌ عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ– فَرِحِينَ بِمَا آتَاهُمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَيَسْتَبْشِرُونَ بِالَّذِينَ لَمْ يَلْحَقُوا بِهِم مِّنْ خَلْفِهِمْ أَلَّا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ  ۞ يَسْتَبْشِرُونَ بِنِعْمَةٍ مِّنَ اللَّهِ وَفَضْلٍ وَأَنَّ اللَّهَ لَا يُضِيعُ أَجْرَ الْمُؤْمِنِينَ

“আর যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত। আল্লাহ নিজের অনুগ্রহ থেকে যা দান করেছেন তার প্রেক্ষিতে তারা আনন্দ উদযাপন করছে। আর যারা এখনও তাদের কাছে এসে পৌঁছেনি তাদের পেছনে তাদের জন্যে আনন্দ প্রকাশ করে। কারণ, তাদের কোন ভয় ভীতিও নেই এবং কোন চিন্তা ভাবনাও নেই। আল্লাহর নেয়ামত ও অনুগ্রহের জন্যে তারা আনন্দ প্রকাশ করে এবং তা এভাবে যে, আল্লাহ, ঈমানদারদের শ্রমফল বিনষ্ট করেন না।” (সূরা আল ইমরান ৩:১৬৯-১৭১)

শহীদগণ আল্লাহর মেহমানদারিতে থাকেন। বরং তারা জীবিত, তাদের রবের নিকট রিযিকপ্রাপ্ত হন। সহীহুল মুসলিমের মধ্যে এসেছে, “আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত-

আল্লাহ তা’আলার নিম্নোক্ত বাণী সম্পর্কে: “যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে তোমরা কখনো মৃত মনে করো না, বরং তারা জীবিত এবং তাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে তারা রিযিকপ্রাপ্ত” (সূরা আল ইমরানঃ ১৬৯)- তিনি বলেন, আমরা উক্ত আয়াতের তাৎপর্য জিজ্ঞেস করলে মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন- শহীদগণের রূহ সবুজ পাখির ন্যায় স্বাধীনভাবে জান্নাতে যত্রতত্র উড়ে বেড়ায় এবং আরশের সাথে ঝুলন্ত ফানুসের মধ্যে বিশ্রাম গ্রহণ করে। একদা তাদের রূহসমূহ ঐ অবস্থায় থাকাকালে তোমার প্রতিপালক তাদের নিকট উদ্ভাসিত হয়ে বলেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমার নিকট চাও। তারা বললো, আমাদের প্রতিপালক! আমরা আপনার নিকট আর কি চাবো! আমরা তো স্বাধীনভাবে জান্নাতের যেখানে ইচ্ছা ঘুরে বেড়াই। তিনি তাদেরকে এভাবে তিনবার জিজ্ঞেস করবেন। তারা যখন দেখলো যে, কিছু না চাওয়া পর্যন্ত তাদেরকে ছাড়া হচ্ছে না, তখন তারা বললো, আমরা আপনার নিকট চাই যে, আপনি আমাদের দেহে আমাদের রূহ ফেরত দিয়ে আমাদেরকে দুনিয়াতে পাঠাবেন, যাতে আমরা আপনার রাস্তায় জিহাদ করতে পারি। আল্লাহ যখন দেখলেন যে, তারা এটাই চাচ্ছে, তখন তাদেরকে (স্ব স্ব অবস্থায়) ত্যাগ করা হলো।” [মুসলিম ১৮৮৭, সুনানে ইবনে মাজাহ ২৮০১]

শহীদের কামনা হলো, তিনি আবার নিহত হওয়ার জন্য দুনিয়ায় ফিরে আসবেন চাইবেন।

عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ مَا مِنْ عَبْدٍ يَمُوتُ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ، يَسُرُّهُ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا، وَأَنَّ لَهُ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، إِلاَّ الشَّهِيدَ، لِمَا يَرَى مِنْ فَضْلِ الشَّهَادَةِ، فَإِنَّهُ يَسُرُّهُ أَنْ يَرْجِعَ إِلَى الدُّنْيَا فَيُقْتَلَ مَرَّةً أُخْرَى ‏”‏‏.‏

“আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ্‌র কোন বান্দা এমতাবস্থায় মারা যায় যে, আল্লাহ্‌র কাছে তার সওয়াব রয়েছে তাকে দুনিয়ার সব কিছু দিলেও দুনিয়ায় ফিরে আসতে আগ্রহী হবেনা। একমাত্র শহীদ ব্যতীত। সে শাহাদাতের ফযিলত দেখার কারণে আবার দুনিয়ায় ফিরে এসে আল্লাহ্‌র পথে শহীদ হবার প্রতি আগ্রহী হবে।“ (সহীহ বুখারী-২৭৯৫)

অতএব, কোন বান্দাই মৃত্যু বরণ করে পুনরায় দুনিয়ায় ফিরে আসতে চাইবে না, চাই তাকে গোটা দুনিয়া ও তার উপর যত কিছু আছে সব দেওয়া হোক না কেন। শুধুমাত্র শহীদ ব্যতীত। তিনি ফিরে আসতে চাইবেন, শাহাদাতের মর্যাদা দেখার কারণে। শহীদের আখেরাতের সফরটা খুব সহজ ও সংক্ষিপ্ত সফর, যাতে কোন মৃত্যুর যন্ত্রণা নেই।

শহীদ পিপড়ার কামড়ের চেয়ে বেশি মৃত্যু যন্ত্রণা পাবে না। শহীদকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করা হয়। সে ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকে। কবরের পরীক্ষা থেকে নিরাপদ থাকে। কবরের আযাব থেকে নিরাপদ থাকে। শহীদ নিহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জান্নাতে চলে যায়।

وَعَن أَنَسٍ رضي الله عنه:أَنَّ أُمَّ الرُّبَيِّعِ بنتَ البَرَاءِ وَهِيَ أُمُّ حَارِثَةَ بنِ سُرَاقَةَ، أَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، أَلاَ تُحَدِّثُنِي عَنْ حَارِثَةَوَكَانَ قُتِلَ يَوْمَ بَدْرٍفَإِنْ كَانَ فِي الجَنَّةِ صَبَرْتُ، وَإِنْ كَانَ غَيْرَ ذَلِكَ اجْتَهَدْتُ عَلَيْهِ فِي البُكَاءِ، فَقَالَ: «يَا أُمَّ حَارِثَةَ إِنَّهَا جِنَانٌ فِي الجَنَّةِ، وَإنَّ ابْنَكِ أَصَابَ الفِرْدَوْسَ الأَعْلَى». رواه البخاري

“আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত-

উম্মে রুবাইয়ে’ বিনতে বারা’ যিনি হারেসাহ ইবনে সূরাকার মা, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে হারেসাহ সম্পর্কে কিছু বলবেন না? সে বদরের দিনে নিহত হয়েছিল। যদি সে জান্নাতি হয়, তাহলে ধৈর্য ধারণ করব, অন্যথা তার জন্য মন ভরে অত্যধিক কান্না করব।’ তিনি বললেন, “হে হারেসার মা! জান্নাতের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের জান্নাত আছে। আর তোমার ছেলে সর্বোচ্চ ফিরদাউস (জান্নাতে) পৌঁছে গেছে।” (সহীহ বুখারী-২৮০৯ )

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের উদ্দেশ্যে তখন কী বলেছিলেন? যখন দুই কাতার মিলিত হল, তরবারিগুলো উঠানো হল, বর্ষা তুলে ধরা হল এবং মৃত্যু নিকটবর্তী হয়ে গেল, তিনি কি বলেছিলেন, মুশরিকদের গর্দানগুলোর দিকে যাও? না। তিনি বলেছিলেন:

عَن أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم (يوم بدر) قُومُوا إِلَى جَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَوَاتُ وَالأَرْضُ قَالَ يَقُولُ عُمَيْرُ بْنُ الْحُمَامِ الأَنْصَارِىُّ يَا رَسُولَ اللهِ جَنَّةٌ عَرْضُهَا السَّمَوَاتُ وَالأَرْضُ قَالَ نَعَمْ قَالَ بَخٍ بَخٍ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم مَا يَحْمِلُكَ عَلَى قَوْلِكَ بَخٍ بَخٍ قَالَ لاَ وَاللهِ يَا رَسُولَ اللهِ إِلاَّ رَجَاءَةَ أَنْ أَكُونَ مِنْ أَهْلِهَا قَالَ فَإِنَّكَ مِنْ أَهْلِهَا فَأَخْرَجَ تَمَرَاتٍ مِنْ قَرْنِهِ فَجَعَلَ يَأْكُلُ مِنْهُنَّ ثُمَّ قَالَ لَئِنْ أَنَا حَيِيتُ حَتَّى آكُلَ تَمَرَاتِى هَذِهِ إِنَّهَا لَحَيَاةٌ طَوِيلَةٌقَالَفَرَمَى بِمَا كَانَ مَعَهُ مِنَ التَّمْرِ ثُمَّ قَاتَلَهُمْ حَتَّى قُتِلَ

“আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত-

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় সহচরবৃন্দের সাথে (বদরাভিমুখে) রওনা দিলেন। পরিশেষে মুশরিকদের পূর্বেই তাঁরা বদর স্থানে পৌঁছে গেলেন। তারপর মুশরিকগণ সেখানে এসে পৌঁছল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা অবশ্যই কেউ কোন বিষয়ে আগে বেড়ে কিছু করবে না; যতক্ষণ আমি নির্দেশ না দেব অথবা আমি স্বয়ং তা করব।” সুতরাং যখন মুশরিকরা নিকটবর্তী হল, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তিনি বলেছিলেন: “তোমরা সেই জান্নাতের দিকে ওঠো, যার প্রস্থ হল আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সমান।” বর্ণনাকারী বলেন, উমাইর ইবনে হুমাম আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নিবেদন করলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! জান্নাতের প্রস্থ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সমান?’ তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” উমাইর বললেন, ‘বাঃ বাঃ!’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “বাঃ বাঃ’ শব্দ উচ্চারণ করার জন্য তোমাকে কোন জিনিস উদ্বুদ্ধ করল?” উমাইর বললেন, ‘আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর রসূল! তার (জান্নাতের) অধিবাসী হওয়ার কামনা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ তিনি বললেন, “তুমি তার অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত।” অতঃপর তিনি কতিপয় খেজুর স্বীয় তূণীর থেকে বের ক’রে খেতে শুরু করলেন। তারপর বললেন, ‘যদি আমি এগুলি খেতে থাকি, তবে দীর্ঘক্ষণ জীবিত থাকতে হবে (এত দেরী সহ্য হবে না)।’ বিধায় তিনি তাঁর কাছে যত খেজুর ছিল, সব ফেলে দিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়লেন। অবশেষে শহীদ হয়ে গেলেন।“ (সহীহ মুসলিম ৫০২৪)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তোমরা সেই জান্নাতের দিকে ওঠো, যার প্রস্থ হল আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সমান।” উমাইর ইবনে হুমাম আনসারী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নিবেদন করলেন, ‘হে আল্লাহর রসূল! জান্নাতের প্রস্থ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সমান?’ বাহ, বাহ, কী চমৎকার! তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বাহ, বাহ, বলতে তোমাকে কিসে উদ্বুদ্ধ করলো? উমাইর বললেন, হে আল্লাহর রসূল! বরং আল্লাহর কসম! আমি তার অধিবাসী হওয়ার আশায়ই এরূপ বলেছি। তখন তিনি বললেন, তুমি নিশ্চয়ই তার অধিবাসী (হবে)। অতঃপর তিনি কতিপয় খেজুর স্বীয় তূণীর থেকে বের ক’রে খেতে শুরু করলেন। তারপর বললেন, আমি যদি এ খেজুরগুলো খেয়ে শেষ করা পর্যন্ত বেঁচে থাকি তবে তাও হবে এক দীর্ঘ জীবন। তারপর তিনি তার কাছে রক্ষিত খেজুরগুলো ছুড়ে ফেলে দিলেন তারপর জিহাদে প্রবৃত্ত হলেন এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হলেন।

উমায়র ইবনুল হুমাম কোথায়? জান্নাতে। হারেসা কোথায়? জান্নাতে। হারাম বিন মালহান যখন পিঠে বর্ষাঘাত প্রাপ্ত হলেন, তখন তার বুক থেকে রক্ত বের হচ্ছিল, তিনি রক্ত প্রবাহমান অবস্থায় বললেন:

فزت ورب الكعبه

“কাবার রবের শপথ আমি সফল হয়ে গেছি।”

জনৈক সাহাবীর লাশ আকাশে তুলে নেওয়া হয়েছিল, সেই মর্যাদার কারণেই, যা আল্লাহ শহীদগণকে দিয়েছেন।

জনৈক সাহাবী নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসলেন। তিনি কাফের ছিলেন। বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমি কি যুদ্ধ করবো? বললেন: ইসলাম গ্রহণ কর, তারপর যুদ্ধ কর। ফলে তিনি ইসলাম গ্রহণ করে যুদ্ধ করে নিহত হলেন। তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: অল্প আমল করেছে, কিন্তু বেশি পুরস্কার পেয়েছে।

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু. বলেন, তিনি নিহত হয়ে জান্নাতে চলে গেলেন, অথচ আল্লাহর জন্য এক রাকাত নামাযও পড়েননি।

আমর ইবনে সাবিত বলেন: কেউ সত্তর বছর নামায পড়তে পারে, সত্তর/আশি বছর রোজা রাখতে পারে। কিন্তু কেউ এই আত্মাকে আল্লাহর জন্য পেশ করবে, উৎসর্গ করবে, তা কেবলমাত্র সত্যিকার স্বচ্ছ মুমিনই পারে। সে নিজের মালিকানাধীন সবচে’ বড় বিষয়টি ‍উৎসর্গ করেছে। শুধু নামায বা শুধু রোজার মাধ্যমে উৎসর্গ করেনি। বরং সরাসরি নিজের আত্মার মাধ্যমে উৎসর্গ করেছে। আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন। আল্লাহ মুমিনদের জান ও মাল ক্রয় করেছেন এর বিনিময়ে যে, তাদের জন্য আছে জান্নাত। সে সরাসরি নিজের আত্মাকে আল্লাহর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেই নিজের আত্মাটা আল্লাহর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। তাই তার জন্য মোবারকবাদ, যিনি নিজ আত্মাকে আল্লাহর জন্য বিক্রয় করে দিয়েছেন।

আল্লাহ তা’আলা আমাদের থেকে আমাদের জানগুলোকে কিনতে চান। অথচ তিনিই আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।

إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَىٰ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُم بِأَنَّ لَهُمُ الْجَنَّةَ ۚ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ ۖ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنجِيلِ وَالْقُرْآنِ ۚ وَمَنْ أَوْفَىٰ بِعَهْدِهِ مِنَ اللَّهِ ۚ فَاسْتَبْشِرُوا بِبَيْعِكُمُ الَّذِي بَايَعْتُم بِهِ ۚ وَذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ 

“আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেনদেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল মহান সাফল্য। (সূরা আত- তাওবাহ ৯:১১১)

এটা হল ক্রয়-বিক্রয়ের শর্ত। তারা আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে। অত:পর হত্যা করে ও নিহত হয়। এটা আল্লাহর সুনিশ্চিত ওয়াদা। যা আল্লাহ তায়ালা গুরুত্বারোপ করে বলেছেন। যা তওরাতে, ইঞ্জিলে ও কুরআনে আছে। আল্লাহর চেয়ে উত্তম ওয়াদা পূরণকারী আর কে আছে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে যে ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি করেছো, তার জন্য আনন্দিত হও। আর এটাই তো মহা সফলতা।

আল্লাহ সুবহানাহু বলেন:

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰ تِجَارَةٍ تُنجِيكُم مِّنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ ﴿﴾ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنفُسِكُمْ ۚ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿﴾ يَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَيُدْخِلْكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ وَمَسَاكِنَ طَيِّبَةً فِي جَنَّاتِ عَدْنٍ ۚ ذَٰلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿﴾

মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বাণিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে? (১০) তা এই যে, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বুঝ। (১১) তিনি তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন এবং এমন জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত এবং বসবাসের জান্নাতে উত্তম বাসগৃহে। এটা মহাসাফল্য। (১২) (সূরা আস-সফ ৬১:১০-১২)

সুতরাং দুনিয়া অতিক্রমের স্থান; স্থির হওয়ার স্থান নয়। ‍দুনিয়ার জীবন হল এমন এক ভ্রমণকারীর ন্যায়, যে একটি গাছের ছায়ায় বসেছে, তারপর তা ত্যাগ করে পুনরায় ভ্রমণ শুরু করেছে।

 

 

************************
مع تحيّات إخوانكم
في مؤسسة الحكمة للإنتاج الإعلامي
قاعدة الجهاد في شبه القارة الهندية (بنغلاديش)
আপনাদের দোয়ায়
আল হিকমাহ মিডিয়ার ভাইদের স্মরণ রাখবেন!
আল কায়েদা উপমহাদেশ (বাংলাদেশ শাখা)
In your dua remember your brothers of
Al Hikmah Media
Al-Qaidah in the Subcontinent [Bangladesh]

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 + seven =

Back to top button