বাংলার শহীদ মুজাহিদিন

আফগানিস্তানে সোভিয়েত ও দেশীয় কমিউনিস্ট বিরোধী লড়াইয়ে বাংলাদেশের প্রায় তিন হাজার মুজাহিদ অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধাহত অনেক। উরগুন, খোস্ত, জালালাবাদ, কান্দাহার, গজনীসহ বেশ ক’টি প্রদেশ ও উল্লেখযোগ্য রণাঙ্গনে বাংলাদেশী মুজাহিদদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত উজ্জ্বল। খোস্ত রণাঙ্গনের প্রধান সিপাহসালার কমান্ডার খালেদ যুবায়ের শহীদ হওয়ার পর এ গুরুদায়িত্ব লাভ করেন সমকালীন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান কমান্ডার মাওলানা আব্দুর রহমান ফারুকী। দীর্ঘ প্রায় নয় দিন জিহাদরত থাকার পর তিনিও শাহাদাতবরণ করেন। গোটা আফগান জিাহদেই বাংলাদেশী যুবকেরা অসম সহসিকতা ও সীমাহীন নিষ্ঠার পরিচয় দেন। শহীদ মাওলানা ফারুকীর পর কমান্ডার মনজুর হাসান, ফুফতী আব্দুল হাই, কমান্ডার আব্দুস সালাম, মুফতী শফীকুর রহমান, আবু খালেদ, জাফর বিন কাসেম, আবু তারেক, আব্দুল হাকীম, আলী আহমদ, চাচা বাসেত, মুক্তিযোদ্ধা হাকীমসহ অনেকেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন খুব সফলভাবে। সারা দেশের জিহাদ-প্রিয় মানুষের মনে ব্যাপক উদ্দীপনা জাগিয়েছেন তাঁরা। স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন মুসলিম জাতির শৌর্য বীর্য্ আর গৌরবোজ্জ্বল অতীতের কথা।

আফগান রণাঙ্গনে বাংলাদেশের মহানায়কেরা!

মার্কিন বিরোধী লড়াই

(আপডেট হবে ইনশা আল্লাহ)

 

 রুশবিরোধী লড়াই

ক্রঃনংনামজিলাশাহাদাতের

তারিখ

সেক্টরকোন যুদ্ধেকি ভাবেদাফনের স্থানজিহাদে অংশগ্রহন
১শহীদ কমান্ডার মাওলানা আব্দুর রহমান ফারুকীযশোর১০/৫/১৯৮৯ইংখোস্তলিজা পোষ্টমাইনখোস্ত১৯৮৪
২শহীদ মাওলানা নুরুল করিমযশোর১০/৫/১৯৮৯ইংখোস্তলিজা পোষ্টবিস্ফোরণখোস্ত১৯৮৭
৩শহীদ হাফেজ মতিউর রহমানগাজীপুর২৯/৯/১৯৮৯খোস্তশেখ মীরমিসাইলখোস্ত১৯৮৮
৪শহীদ হাফেজ আব্দুল মোমেনমোমেনশাহী১৪/১/১৯৮৯খোস্তমানি কান্ডমাইন বিস্ফরণখোস্ত১৯৮৮
৫শহীদ মাওলানা কামরুজ্জামানযশোর২৫/৫/১৯৮৫গজনীশেরানোগুলিতেশেরানো১৯৮৫
৬শহীদ রায়হান উদ্দিনগাজীপুর২১/৯/১৯৮৯জালালাবাদকোবাপাহাড়ীগোলায়তুরখম১৯৮৮
৭শহীদ মাওলানা শেখ ইসমাইলগাজীপুর১৯৮৯খোস্তগুরবজহ্যান্ডগ্রেনেডমিরানশাহ১৯৮৬
৮শহীদ মাওলানা আব্দুল মতিনফরিদপুর১৯৮৯জালালাবাদকোবাপাহাড়ীগুলিতেতুরখম১৯৮৭
৯শহীদ বদরুল আলমফরিদপুর১৯৮৯খোস্তগুরবজহ্যান্ডগ্রেনেডমিরানশাহ১৯৮৮
১০শহীদ হাফেজ রহমতুল্লাহ্ঢাকা৩০/৯/১৯৮৮উরগুনজামাখোলামাইন বিস্ফোরণঢাকা১৯৮৮
১১শহীদ মাওলানা আব্দুল হামীদমোমেনশাহী১৯৮৮উরগুনজামাখোলামাইন বিস্ফোরণউরগুন১৯৮৬
১২শহীদ সাইফুল্লাহবরিশাল২৩/২/১৯৮৯খোস্ততুরগড়মাইন বিস্ফোরণপেশোয়ার১৯৮৭
১৩শহীদ মোশাররফ হুসাইনকুমিল্লা২২/২/১৯৮১খোস্তজাহানদানট্যাংকের গোলাখোস্ত১৯৮৯
১৪শহীদ রবিউল্লাহঢাকা১৯৮৯জালালাবাদখাইবারতমাইন বিস্ফোরণপাব্বি১৯৮৯
১৫শহীদ প্রফেসর রফিকুল্লাহনোয়াখালী১৯৮৬খোস্তরাগবেলীগুলিতেরাগবেলী১৯৮৪
১৬শহীদ সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীনোয়াখালী১৯৮৬খোস্তরাগবেলীগুলিতেরাগবেলী১৯৮৬
১৭শহীদ মুফতি ওবায়দুল্লাহব্রাক্ষণবাড়িয়া১৯৯০খোস্তশেখমীরগুলিতেবারী১৯৮৭
১৮শহীদ নূরুল ইসলামহুগলী১৯৮৮খোস্তস্পেনকাইমাইন বিস্ফোরণ ১৯৮৭
১৯শহীদ মোহাম্মদ ফরুকখুলনা১৯৮৮কাবুল মর্টারের গোলাতে ১৯৮৭
২০শহীদ আব্দুল্লাহখুলনা১৯৮৬হেরাতজিন্দেজানমাইন বিস্ফেরণজিন্দেজান১৯৮৬
২১শহীদ নূরুল ইসলামবগুড়া২০/১০/১৯৯১গরদেজছাতিকান্ডমর্টারের গোলাতেমিরানশাহ১৯৯০
২২শহীদ ফয়জুল্লাহনোয়াখালী১৯৯১গরদেজছাতিকান্ডরকেটমিরানশাহ১৯৮৯
২৩শহীদ আব্দুল গফুরচট্রগ্রাম২০/১০/১৯৯১গরদেজছাতিকান্ডমর্টারের গোলাতেমিরানশাহ১৯৮৯
২৪শহীদ মোহাম্মদ আলীবরিশাল৭/৪/১৯৯২জালালাবাদসমরখেলমর্টারের গোলাতেতুরখম১৯৮৭

 

Back to top button