আশ শুহাদা মিডিয়ানির্বাচিতবার্তা ও বিবৃতিমিডিয়া

Bengali Translation || পাক-আফগান যুদ্ধ ও তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান প্রসঙ্গে আফগান সরকারের অবস্থান – শায়খ জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ

مؤسسة الشهداء
আশ শুহাদা মিডিয়া
Ash Shuhada Media

تـُــقدم
পরিবেশিত
Presents

الترجمة البنغالية
বাংলা অনুবাদ
Bengali Translation

بعنوان:
শিরোনাম:
Titled:

نصّ كلمة المتحدث باسم إمارة أفغانستان الإسلامية في المؤتمر الصحفي حول التطورات الأخيرة وحركة طالبان باكستان
الشيخ ذبيح الله مجاهد حفظه الله

পাক-আফগান যুদ্ধ ও তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান প্রসঙ্গে আফগান সরকারের অবস্থান
শায়খ জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ

Text of the statement by the spokesperson of the Islamic Emirate of Afghanistan at the press conference regarding recent developments and the Tehrik-i-Taliban Pakistan (TTP).
Sheikh Zabihullah Mujahid, may Allah preserve him

Bengali Translation || পাক-আফগান যুদ্ধ ও তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান প্রসঙ্গে আফগান সরকারের অবস্থান – শায়খ জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ

***********

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। শান্তি ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর নির্বাচিত বান্দাদের ওপর।

অতঃপর—

আজ আমরা তুরস্কে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনার সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে আপনাদের অবহিত করতে চাই, পাশাপাশি তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের উত্থান ও এ সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরতে চাই।

দুঃখজনকভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে- পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কিছু নির্দিষ্ট অংশ চায় না আফগানিস্তানে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত হোক এবং সামগ্রিকভাবে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হোক। কারণ, আফগানিস্তানে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান নিরাপত্তাহীনতা, দখলদারিত্ব, বাস্তুচ্যুতি ও সংকটময় পরিস্থিতি থেকে তারা বরাবরই লাভবান হয়েছে। আজও তারা মিথ্যা অজুহাত তৈরি করে আফগানিস্তানের সঙ্গে নতুন করে সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

আমরা নিশ্চিতভাবে জানি- নির্দিষ্ট এই গোষ্ঠী আফগানিস্তান বিরোধী যে নীতিগুলো অনুসরণ করছে, তা না পাকিস্তানের ধর্মপ্রাণ জনগণের সমর্থন পেয়েছে, না রাজনৈতিক দলগুলোর অনুমোদন লাভ করেছে, আর না সম্মানিত আলেম সমাজের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পেরেছে।

নির্দিষ্ট এই গোষ্ঠী আফগানিস্তানের ইমারতে ইসলামিয়্যার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করছে এবং বিশ্বের কাছে ইমারতে ইসলামিয়্যাকে এমনভাবে চিত্রিত করছে যে, আফগানিস্তানে ইমারতে ইসলামিয়্যাহ সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরই পাকিস্তানে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের উত্থান ঘটেছে; অথচ এসকল বিপর্যয় ও তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের উত্থান ঘটেছিল মূলত ২০০২ সালে, যখন পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব ভুল নীতি গ্রহণ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছিল এবং পাকিস্তানের ওয়াজিরিস্তান ও সীমান্তবর্তী কাবায়েলী অঞ্চলে মার্কিন ড্রোন হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছিল। এতে ওয়াজিরিস্তানের সাধারণ জনগণের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের শত্রুতা তৈরি হয়। পাকিস্তান সরকার তাদের বিরুদ্ধে বারবার ছোট-বড় সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। যাতে নিরপরাধ মানুষ মারা যায়, ঘর-বাড়ি ধ্বংস হয় এবং কাবায়েলী অঞ্চলের সাধারণ জনগণ দিয়ে পাকিস্তানের কারাগারগুলোও পূর্ণ হয়ে যায়।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও পশতুন জাতির মধ্যে বছরের পর বছর ধরে সংঘটিত যুদ্ধের কিছু উদাহরণ আমরা তুলে ধরছি, যেন স্পষ্ট হয়ে যায় তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের উত্থান নতুন কোনো ঘটনা নয়, এবং এর সঙ্গে আফগানিস্তান কিংবা ইমারতে ইসলামিয়্যাহ সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

কাবায়েলী অঞ্চলে সাধারণ জনগণ ও তেহরিকে তালেবানের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত অভিযান ও আক্রমণের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

২০০২ সালে ওয়াজিরিস্তান অঞ্চলে মার্কিন ড্রোনের ব্যাপক হামলা ও বোমাবর্ষণের প্রতিক্রিয়ায় তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের উত্থান ঘটে। এরপর থেকে পাকিস্তান বাহিনী এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান ও হামলা পরিচালনা করে আসছে। অন্যদিকে তেহরিকে তালেবানও পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ছোট-বড় নানা ধরনের হামলা চালিয়েছে।

এক. ২০০২ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রথমবারের মতো তেহরিকে তালেবানের বিরুদ্ধে ‘আল-মিজান’ নামের একটি সামরিক অভিযান ঘোষণা করে, যা দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান, উত্তর ওয়াজিরিস্তান ও ওরাকজাই এজেন্সি অঞ্চলে চালানো হয়। এই অভিযানের ফলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে প্রায় আশি হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

দুই. ২০০৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘রাহে রাস্ত’ নামে একটি সামরিক অভিযান ঘোষণা করে, যা সোয়াত ও মালাকান্দ অঞ্চলে পরিচালিত হয়। এর ফলে প্রায় চার লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়। এই বাস্তুচ্যুতদের একটি অংশ নিকটবর্তী আফগান অঞ্চলে আশ্রয় গ্রহণ করে। তৎকালীন আফগান সরকার ডুরান্ড লাইনের কাছাকাছি অঞ্চলে তাদের বসবাসের ব্যবস্থা করে।

তিন. ২০০৮ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাজৌর এজেন্সি অঞ্চলে ‘লায়ন হার্ট’ নামে একটি সামরিক অভিযান ঘোষণা করে, যা ওই অঞ্চলের প্রায় ছয় লক্ষ মানুষকে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য করে।

চার. ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আবারও দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘নাজাত’ নামে একটি সামরিক অভিযান ঘোষণা করে। এর ফলে ওই অঞ্চলের প্রায় তিন থেকে চার লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়।

পাঁচ. ২০১১ সালের জুলাই মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনী তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কুররম এজেন্সিতে ‘অপারেশন কোহে সুফাইদ’ নামে একটি সামরিক অভিযান ঘোষণা করে। যা ওই অঞ্চলের প্রায় এক লক্ষ মানুষকে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য করে।

ছয়. ২০১৪ সালের ১৫ জুন পাকিস্তান সেনাবাহিনী উত্তর ওয়াজিরিস্তানে তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘জরবে আজাব’ নামে একটি সামরিক অভিযান ঘোষণা করে। এই অভিযানের ফলে প্রায় দশ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। তাদের অর্ধেকেরও বেশি ডুরান্ড লাইন অতিক্রম করে অন্য পাশে (আফগান ভূখণ্ডে) চলে যায়। তৎকালীন আফগান সরকার খোস্ত ও পাকতিকা প্রদেশে তাদের জন্য শরণার্থী শিবির স্থাপন করে।

সাত. ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী খাইবার এজেন্সির তিরাহ ও বারাহ অঞ্চলে তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান এবং স্থানীয় পশতুনদের বিরুদ্ধে একাধিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, যা ‘খাইবার–১, ২, ৩ ও ৪’ নামে পরিচিত। এসব অভিযানের ফলে প্রায় তিন থেকে পাঁচ লক্ষ মানুষ তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। তাদের অনেকেই নানগারহার প্রদেশে আশ্রয় নেয়, তৎকালীন প্রশাসন সেখানেই তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে।

‘আল-মিজান’ নামে পরিচিত সামরিক অভিযান সংক্রান্ত প্রতিবেদন:

youtu.be/v5faLsUoLjA?si…‎

সোয়াত অঞ্চলে সামরিক অভিযান এবং বাস্তুচ্যুতি সংক্রান্ত প্রতিবেদন:

youtu.be/UyhHI6KVl-I?si…‎

youtu.be/bHR8KRYm2V4?si…‎

ইমারতে ইসলামিয়্যাহ প্রতিষ্ঠার পূর্বে আফগানিস্তানে অবস্থানকারী পাকিস্তানি শরণার্থীদের সম্পর্কে প্রতিবেদন:

youtu.be/bMZAPuhim38?si…‎

youtu.be/xr8ogRigsC8?si…‎

youtu.be/FxvdZV_D_bg?si…‎

এই তথ্য ও নথিগুলো প্রমাণ করে ইমারতে ইসলামিয়্যাহ ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী পশতুন জাতি ও তেহরিকে তালিবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িত ছিল। এমনকি আফগানিস্তানে ইমারতে ইসলামিয়্যাহ সরকারের আগমনের পূর্বেই পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব স্বীকার করেছিল যে, তথাকথিত ‘সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে’ আশি থেকে নব্বই হাজারের বেশি সামরিক ও বেসামরিক মানুষ গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।

ইমারতে ইসলামিয়্যাহ ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বে সামরিক ও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্বীকারোক্তি:

youtu.be/seFKn6R_b9I?si…‎

dailysubnews.com/news/244662/‎

আফগানিস্তানে ইমারতে ইসলামিয়্যাহ ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বে পাকিস্তানে সংঘটিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি

পাকিস্তানে সংঘটিত হামলা ও হতাহতের ঘটনা নতুন নয়। এর সঙ্গে ইমারতে ইসলামিয়্যাহ সরকারের আগমনের কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ, এর পূর্বেও পাকিস্তানে একাধিক বড় ধরনের হামলা ও এমন সব ঘটনা ঘটেছে, যা গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে।

যা প্রমাণ করে এটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, আফগানিস্তানের ইমারতে ইসলামিয়্যার সঙ্গে এর সংশ্লিষ্টতা নেই। নিচে এ সংক্রান্ত কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হলো:

এক. ২০০৭ সালের আগস্টে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে অভিযান চালানোর সময় প্রায় তিনশত পাকিস্তানি সেনাকে জীবিত বন্দী করে তেহরিকে তালেবান পাকিস্তান। পরবর্তীতে তাদের বন্দী বিনিময় করা হয় বাইতুল্লাহ মেহসুদের প্রায় চল্লিশ জন সদস্যের সঙ্গে।

দুই. ২০০৮ সালের ২১ আগস্ট পাঞ্জাব প্রদেশের একটি অস্ত্র তৈরির কারখানায় হামলা সংঘটিত হয়, যাতে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়ে।

তিন. ২০০৮ সালের ২ জুন ইসলামাবাদে ডেনমার্ক দূতাবাস লক্ষ করে একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যাতে কয়েকজনের মৃত্যু ঘটে।

চার. ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর পেশাওয়ারের মিনা বাজারে একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটে, যাতে কয়েকজনের মৃত্যু হয়।

পাঁচ. ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে সোয়াত প্রদেশের শাংগোলা এলাকায় একটি গাড়ি বোমা হামলা ঘটে, যাতে প্রায় সাত চল্লিশ (৪৭) জনের মৃত্যু হয়।

ছয়. ২০১১ সালের ২২–২৩ মে করাচিতে মেরিন ঘাঁটির (মেহরান) উপর একটি হামলা সংঘটিত হয়, প্রতিবেদন অনুযায়ী যাতে ১৮ জন কর্মকর্তা নিহত হয় এবং ১৬ জন আহত হয়।

সাত. ২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পেশাওয়ারে ‘আর্মি পাবলিক স্কুল’-এ একটি হামলা সংঘটিত হয়, যাতে প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয় এবং ১৩৪ জন আহত হয়।

এছাড়াও পাকিস্তানে এজাতীয় অসংখ্য ঘটনা সংঘটিত হয়েছে; আমরা শুধু কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছি।

ইমারতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণের পর পূর্বেই শরণার্থী হয়ে আসা এই কাবায়েলীদের জন্য তালেবান সরকার যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে:  

ক. পাকিস্তান সরকার, রাজনৈতিক দলসমূহ, উলামায়ে কেরাম এবং আফগানিস্তানে আগত শরণার্থীদের মাঝে বৈঠক ও সংলাপের ব্যবস্থা।

খ. ইমারতে ইসলামিয়্যাহ ডুরান্ড লাইনের নিকটে বসবাসরত কিছু বাস্তুচ্যুত উপজাতির ঘর-বাড়ি কেন্দ্রীয় এলাকায় স্থানান্তরিত করেছে, যাদেরকে নিয়ে পাকিস্তান আশঙ্কা প্রকাশ করতো। এবং এ ধরনের কাবায়েলীদের নিয়ন্ত্রণ সহজ করতে কেন্দ্রীয় এলাকায় তাদের জন্য শিবিরও স্থাপন করা হয়েছে।

গ. কাবায়েলী শরণার্থীদের জন্য অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ঘ. সমস্যাগুলোর সমাধান অন্বেষণ এবং ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য একটি সংস্কার কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ঙ. যারা আমীরের অনুমতি ব্যতীত জিহাদের নামে আফগানিস্তান ত্যাগ করে, তাদের প্রসঙ্গে শরীয়ত অনুযায়ী ফাতওয়া জারি করা হয়েছে।

চ. শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সরকার এবং তেহরিকে তালেবান পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। সেই মধ্যস্থতা দীর্ঘ সময়ের জন্য যুদ্ধ বিরতি এবং আলোচনার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি এনে দিয়েছিল, যা পরবর্তীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কিছু বিশেষ গোষ্ঠী নষ্ট করে দেয়।

বর্তমান আফগানিস্তানে বসবাসরত বাস্তুচ্যুত কাবায়েলীরা ইমারতে ইসলামিয়্যাহ ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বেই আফগানিস্তানে আশ্রয় নিয়েছিল। যেমন আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। তাদের বাস্তুচ্যুতি মূলত পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট কিছু মহলের ভুল নীতি এবং কাবায়েলী অঞ্চলে সংঘটিত সহিংসতা ও সামরিক অভিযানের ফলেই হয়েছিল। ইমারতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তান বাস্তুচ্যুত এসকল কাবায়েলীর মূল আবাসস্থলে প্রত্যাবর্তনের সহায়ক সকল প্রচেষ্টা ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়।

পাশাপাশি ইমারতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তান জোর দিয়ে বলছে যে, তারা কোনোভাবেই তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য। বরং আফগান ভূমি ব্যাবহার করে অন্য ভূখণ্ডে হামলার প্রচেষ্টাকে বাধা দিবে ইনশাআল্লাহ।

জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ

ইমারতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তানের মুখপাত্র

১৭ / ৫ / ১৪৪৭ হিজরী

১৭ / ৮ / ১৪০৪ হিজরী শামসি

৮ / ১১ / ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

[1] মূল আরবী বিবৃতি পড়ুন এই লিংক থেকে- https://archive.ph/JYc73

*******

 

روابط بي دي اب
PDF (495 KB)
পিডিএফ ডাউনলোড করুন [৪৯৫ কিলোবাইট]

লিংক-১ : https://shaikhjabihullah.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/01/pak-afgan-juddho-o-taleban-prosongge.pdf
লিংক-২ : https://www.mediafire.com/file/wweqjdxdkr64652/pak+afgan+juddho+o+taleban+prosongge.pdf/file
লিংক-৩ : https://secure.internxt.com/sh/file/_53Wa4LnQeijNNktSH4rGw/ow66gnRj
লিংক-৪ : https://mega.nz/file/qgI0WbKI#4x2sbQ9LtXLytvCf1phvZhvY834iufhGWqk-4KJQlTs

 

 

روابط ورد
Word (408 KB)
ওয়ার্ড [৪০৮ কিলোবাইট]

লিংক-১ : https://shaikhjabihullah.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/01/pak-afgan-juddho-o-taleban-prosongge.docx
লিংক-২ : https://www.mediafire.com/file/i7axbts6jxbp3cl/pak+afgan+juddho+o+taleban+prosongge.docx/file
লিংক-৩ : https://share.eu.internxt.com/sh/file/8K6n04TcRS-7yoA87vSMTA/byKvjtdh
লিংক-৪ : https://mega.nz/file/KxxzmTwQ#H6hZk9vSyNA5DrSzyeicZ5TkumLz8yZ4-hwlX1GUDqQ

 

 

روابط الغلاف- ١
book Banner [977 KB]
বুক ব্যানার ডাউনলোড করুন [৯৭৭ কিলোবাইট]

লিংক-১ : https://shaikhjabihullah.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/01/pak-afgan-juddho-o-taleban-prosongge-cover.jpg
লিংক-২ : https://www.mediafire.com/file/wrbff1z00iqtpmv/pak+afgan+juddho+o+taleban+prosongge+Cover.jpg/file
লিংক-৩ : https://secure.internxt.com/sh/file/5xZUfbrKRYeDxewx24AXSw/rud5Szx4
লিংক-৪ : https://mega.nz/file/Sg4BkbzA#S_wV0Dn139DlQjmquR1OADFQo6SsnMi_NOzw93DBHRM

 

 

روابط الغلاف
Banner [1.1 MB]
ব্যানার ডাউনলোড করুন [১.১ মেগাবাইট]

লিংক-১ : https://shaikhjabihullah.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/01/pak-afgan-juddho-o-taleban-prosongge-banner.jpg
লিংক-২ : https://www.mediafire.com/file/l00kg0pyfisp4jv/pak+afgan+juddho+o+taleban+prosongge+Banner.jpg/file
লিংক-৩ : https://share.eu.internxt.com/sh/file/-8eokUynRBuzLbivOEloRQ/DCa9PaLa
লিংক-৪ : https://mega.nz/file/jtBWzb4J#I-0ECNBgoSGzK1gOI5-dceqxS6jRCm66cR4IAaJWyXA

 

Orginal File
মূল ফাইল

লিংক-১ : https://archive.ph/JYc73
লিংক-১ : https://justpaste.it/ij41r
লিংক-১ : https://mediagram.me/5e1c26018d172271
লিংক-১ : https://noteshare.id/view/8b5ae96d-dae1-4725-a9ff-f1526e309391

 

مع تحيّات إخوانكم
في مؤسسة الشهداء للإنتاج الإعلامي
আপনাদের দোয়ায়
আশ শুহাদা মিডিয়ার ভাইদের স্মরণ রাখবেন!
In your dua remember your brothers of
Ash Shuhada Media

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × 2 =

Back to top button