Bengali Translation || পবিত্র ঈদুল ফিতর (১৪৪৭ হিজরি) উপলক্ষে কান্দাহারের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে মহামান্য আমিরুল মুমিনিন, শাইখুল কুরআন ওয়াল হাদিস মৌলভি হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ -এর বিশেষ ভাষণ!

مؤسسة الشهداء
আশ শুহাদা মিডিয়া
Ash Shuhada Media
تـُــقدم
পরিবেশিত
Presents
الترجمة البنغالية
বাংলা অনুবাদ
Bengali Translation
بعنوان:
শিরোনাম:
Titled:
سخنرانی امروز عالیقدر امیرالمؤمنین حفظهالله تعالی به مناسبت عید سعید فطر در عیدگاه مرکزی کندهار
পবিত্র ঈদুল ফিতর (১৪৪৭ হিজরি) উপলক্ষে কান্দাহারের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে মহামান্য আমিরুল মুমিনিন, শাইখুল কুরআন ওয়াল হাদিস মৌলভি হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিযাহুল্লাহ -এর বিশেষ ভাষণ!
Today’s speech by His Excellency, the Commander of the Faithful (may Allah preserve him), on the occasion of Eid al-Fitr at the central Eidgah in Kandahar

![]()
روابط بي دي اب
PDF [576 KB]
পিডিএফ ডাউনলোড করুন [৫৭৬ কিলোবাইট]
লিংক-১ : https://archive.gnews.to/s/jaZYk7MCckB7qFA
লিংক-২ : https://banglafiles.net/index.php/s/84SSEKS3KEr34Cj
লিংক-৩ : https://eidbarta1447.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/03/shaikhhibatullahbarta2-.pdf
লিংক-৪ : https://www.mediafire.com/file/g3wg975asdmkapl/ShaikhHibatullahBarta2+.pdf/file
লিংক-৫ : https://mega.nz/file/35oASL7Y#30iOAy050UW3DzQI-iU685LZ-RTqv82QjB8MmCTl1g8
روابط ورد
Word (324 KB)
ওয়ার্ড [৩২৪ কিলোবাইট]
লিংক-১ : https://archive.gnews.to/s/mcM28odeQaLAyLY
লিংক-২ : https://banglafiles.net/index.php/s/4AP5jpnJ6YczJBL
লিংক-৩ : https://eidbarta1447.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/03/shaikhhibatullahbarta2-.docx
লিংক-৪ : https://www.mediafire.com/file/uxoaucqtha7arle/ShaikhHibatullahBarta2_.docx/file
লিংক-৫ : https://mega.nz/file/uhBQ0IKL#KNq280rLoAzsLPA9mOKtJroVv5vFN-i-2QWWNxv8sn4
روابط الغلاف- ١
book Banner (748 KB)
বুক ব্যানার ডাউনলোড করুন [748 কিলোবাইট]
লিংক-১ : https://archive.gnews.to/s/ngeEL5BrnWQ5AgW
লিংক-২ : https://banglafiles.net/index.php/s/C7omneN7eJkRf6e
লিংক-৩ : https://eidbarta1447.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/03/shaikhhibatullahbarta2-cover.jpg
লিংক-৪ : https://www.mediafire.com/view/tu0x326lon54ncl/ShaikhHibatullahBarta2_Cover.jpg/file
লিংক-৫ : https://mega.nz/file/HtBHnQob#eleWfMY1QrHwSvhMoIa6pkJPg3SuDNUORUVGVO11EYI
روابط الغلاف- ٢
Banner [272 KB]
ব্যানার ডাউনলোড করুন [২৭২ কিলোবাইট]
লিংক-১ : https://archive.gnews.to/s/GFZRrKcCwnfZTnS
লিংক-২ : https://banglafiles.net/index.php/s/Kxy9ZtNgaRZJYCG
লিংক-৩ : https://eidbarta1447.wordpress.com/wp-content/uploads/2026/03/shaikhhibatullahbarta2-banner.jpg
লিংক-৪ : https://www.mediafire.com/view/la4u6wszr0yn4td/ShaikhHibatullahBarta2_Banner.jpg/file
লিংক-৫ : https://mega.nz/file/y0Ij3CwJ#3cpvCJ6Xa43lH8UEwwt57lgjLfE3XKcYTeYujswhems
مع تحيّات إخوانكم
في مؤسسة الشهداء للإنتاج الإعلامي
আপনাদের দোয়ায়
আশ শুহাদা মিডিয়ার ভাইদের স্মরণ রাখবেন!
In your dua remember your brothers of
Ash Shuhada Media
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم. الْحَمْدُ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْهُ فَلَا هَادِيَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ. أَمَّا بَعْدُ، فَأَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ. بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيم. قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ. وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ. صَدَقَ اللَّهُ العَلِيُّ العَظِيمُ وَصَدَقَ رَسُولُهُ النَّبِيُّ الكَرِيمُ. وَنَحْنُ عَلَى ذَلِكَ مِنَ الشَّاهِدِينَ الشَّاكِرِينَ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ.
“অনন্ত করুণাময় ও পরম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। যাবতীয় প্রশংসা কেবলই আল্লাহর জন্য। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁর কাছেই সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছেই ক্ষমা প্রার্থনা করি। আমরা আমাদের নিজেদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা এবং আমাদের মন্দ কর্মসমূহ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথপ্রদর্শন করেন, তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই। আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তাকে পথ দেখানোর কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। অতঃপর, আমি বিতারিত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি। অনন্ত করুণাময় ও পরম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। “নিশ্চয়ই সে সাফল্য অর্জন করেছে, যে নিজেকে পবিত্র করেছে। এবং তার রবের নাম স্মরণ করেছে ও সালাত আদায় করেছে।” মহান আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং তাঁর সম্মানিত নবী সত্য বলেছেন। আর আমরা এই বিষয়ের ওপর সাক্ষ্যদানকারী ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনকারীদের অন্তর্ভুক্ত। এবং যাবতীয় প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।”
শ্রদ্ধেয় উলামায়ে কেরাম, মাশায়েখে ইজম, মুজাহিদ ভাইয়েরা এবং উপস্থিত সকল ধর্মপ্রাণ একনিষ্ঠ মুসলিম ভাই ও বোনেরা— আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
আপনাদের সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সকল ইবাদত কবুল করে নিন। পবিত্র রমজান মাসে আমরা তারাবিহ পড়েছি, কুরআন খতম করেছি, সদকাতুল ফিতর ও অন্যান্য দান-সদকা আদায় করেছি— আল্লাহ তাআলা যেন তাঁর অশেষ মেহেরবানিতে আমাদের এই সমস্ত রিয়াযত ও ইবাদত স্বীয় দরবারে মঞ্জুর করে নেন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এই পবিত্র দিনটিকে মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য মর্যাদায় ভূষিত করেছেন। আনন্দ ও উদযাপনের এই দিনটিও মূলত আল্লাহর ইবাদতেরই একটি বিশেষ রূপ। তাই ঈদের এই নির্মল আনন্দের পাশাপাশি অভাবী মানুষের কথা ভুলে গেলে চলবে না। অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সদকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।
আল্লাহর ইবাদতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো তাঁর সৃষ্টির প্রতি দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা। আমাদের ইবাদত মূলত দুই ভাগে বিভক্ত— শারীরিক এবং আর্থিক। কেউ যদি কেবল নামাজ-রোজার মতো শারীরিক ইবাদতগুলো পালন করে, কিন্তু যাকাত বা সদকাতুল ফিতরের মতো আর্থিক বিধানগুলো অবজ্ঞা করে, তবে তার ইসলাম কখনোই পূর্ণতা পায় না। বরং তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। একজন মুমিনের ইসলাম তখনই পরিপূর্ণ হয়, যখন সে স্রষ্টার ইবাদতের পাশাপাশি সৃষ্টির প্রতিও দয়া ও মমতা প্রদর্শন করে।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন চরম অভাবমুক্ত ও অমুখাপেক্ষী। তিনি স্বয়ংসম্পূর্ণ। গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করার জন্য আমাদের ধনের তাঁর কোনো প্রয়োজন নেই। তবুও তিনি অভাবগ্রস্তদের সাহায্য করার নির্দেশ দিয়েছেন কেবল আমাদের পরীক্ষা করার জন্য। তিনি দেখতে চান, তাঁর বান্দারা একে অপরের প্রয়োজনে কীভাবে সাড়া দেয়। মানবজাতিকে সৃষ্টিই করা হয়েছে একে অন্যের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর জন্য। একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার জন্যই আল্লাহ আমাদের এই দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।
কৃপণতা এমন একটি জঘন্য স্বভাব, যা মহান আল্লাহকে চরমভাবে ক্রুদ্ধ করে। তাই যাকাত, ফিতরা এবং অন্যান্য আর্থিক হক আদায়ে কোনোভাবেই কার্পণ্য করা যাবে না। বিশেষ করে উত্তরাধিকারীদের সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে আমাদের সমাজে যে অবহেলা দেখা যায়, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অন্যের অধিকার বা সম্পদ গ্রাস করার লোভ একটি মারাত্মক ব্যাধি। এই লোভ মানুষের সম্মান ও মর্যাদা ধূলিসাৎ করে দেয় এবং আখেরাতে আল্লাহর কঠোর শাস্তির সম্মুখীন করে।
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি দয়াশীল হওয়া— এটি কোনো সাময়িক কাজ নয়, বরং সারা জীবনের ইবাদত। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, প্রায়ই অভিযোগ শোনা যায় যে, আমাদের সমাজে এমন কিছু ব্যবসায়ী বা সম্পদশালী ব্যক্তি রয়েছেন, যারা অধিক মুনাফার আশায় পণ্য মজুত করে রাখেন। বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তারা জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। ইসলামের পরিভাষায় একে ‘ইহতিকার’ বা মজুতদারি বলা হয়, যা একটি মারাত্মক অপরাধ।
ارْحَمُوا مَنْ فِي الأَرْضِ يَرْحَمْكُمْ مَنْ فِي السَّمَاءِ
“তোমরা জমিনবাসীর প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।” (সুনানে তিরমিজি: ১৯২৪)
উলামায়ে কেরাম সর্বসম্মতভাবে মজুতদারিকে হারাম ও অবৈধ ঘোষণা করেছেন। হাদিস শরিফে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি মূল্যবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পণ্য আটকে রাখে, সে চরম গুনাহগার। এ ধরনের ঘৃণ্য মানসিকতা পরিহার করে সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে হবে। যারা জিনিসপত্র আটকে রেখে বাজারে কৃত্রিম দাম বৃদ্ধি করে, তারা মূলত আল্লাহর গজব ডেকে আনে। প্রশাসনেরও দায়িত্ব হলো এ বিষয়ে সজাগ থাকা। যারা এমন গর্হিত কাজে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা কর্তৃপক্ষের একটি পবিত্র আমানত, যাতে কোনো অসাধু ব্যক্তি সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে না পারে।
ইসলামে ধর্মীয় ও আত্মিক আত্মীয়তার যে বন্ধন, তা জন্মগত বা বংশীয় আত্মীয়তার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো হজরত নূহ আলাইহিস সালাম -এর ঘটনা। মহান আল্লাহ কুরআনুল কারিমে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, ঈমানহীন সন্তান ঔরসজাত হলেও সে প্রকৃত পরিবারের অন্তর্ভুক্ত নয়। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, নিছক রক্তের সম্পর্কের চেয়ে দীনি ও ইসলামি ভ্রাতৃত্ববোধের গুরুত্ব অনেক বেশি। গোটা আফগানিস্তানের মুসলমানসহ বিশ্বের সকল মুমিন একে অপরের ভাই।
এই ভ্রাতৃত্বের দাবি হলো, চরম বিপদে বা কষ্টে একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসা। দুনিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে একজন মুসলমানের উচিত অন্য মুসলমানের দিকে সর্বদা রহমত, মমতা ও ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকানো। কোনো অবস্থাতেই তাদের কষ্ট দেওয়া যাবে না। অন্য মুসলমানের সন্তানকে নিজের সন্তানের মতো এবং অন্যের সম্পদকে নিজের সম্পদের মতো মূল্যায়ন করতে হবে।
সমাজের প্রতিটি স্তরে, তা কাঠমিস্ত্রি হোক, রাজমিস্ত্রি হোক বা প্রকৌশলী—যে পেশাতেই আপনি নিয়োজিত থাকুন না কেন, আপনার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মুসলমানদের কল্যাণ সাধন করা এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানো। অন্য মুসলমানের আনন্দে আনন্দিত হওয়া এবং তার বিপদে ব্যথিত হওয়াই প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ
“প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার হাত ও জিহ্বা থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।” (সহিহ বুখারি: ১০)
ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো নিরাপত্তা। ‘মুসলিম’ শব্দের অর্থই হলো শান্তি ও নিরাপত্তা প্রদানকারী। যখন আমরা একে অপরের সাথে দেখা হলে বলি, “আসসালামু আলাইকুম” (আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক), তখন এটি কেবল একটি প্রথাগত অভিবাদন নয়, বরং এটি একটি সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতি। এর অর্থ হলো, আমার হাত ও মুখ থেকে আপনি সম্পূর্ণ নিরাপদ। আপনার জান, মাল ও সম্মানের কোনো ক্ষতি আমার দ্বারা হবে না।
একইভাবে, ‘মুমিন’ শব্দের একটি অর্থ হলো ‘আমানতদার’ বা যিনি বিশ্বস্ততা রক্ষা করেন। একজন প্রকৃত মুমিন অন্য মুসলমানের সম্পদ ও সম্মানের বিশ্বস্ত রক্ষক। খিয়ানত (আমানতের বরখেলাপ) করা অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। যে ব্যক্তি অন্যের সম্পদ বা সম্মানের খিয়ানত করে, সে মূলত মুমিনের দাবি পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়।
لَا إِيمَانَ لِمَنْ لَا أَمَانَةَ لَهُ
“যার আমানতদারি নেই, তার ঈমান নেই।” (মুসনাদে আহমাদ: ১১৯৩৫)
হাদিস শরিফে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে যে, যার মধ্যে আমানতদারি নেই, তার মধ্যে প্রকৃত ঈমান থাকতে পারে না। আমানতদারি আর ঈমান একে অপরের পরিপূরক। যখন হৃদয় থেকে আমানতদারি বিদায় নেয়, তখন ঈমানও অন্তর্হিত হয়। তাই মুমিনের জীবনে সম্পদের খিয়ানত বা সম্মানের খিয়ানতের কোনো স্থান থাকতে পারে না।
ব্যবসায়িক লেনদেনে সততা রক্ষা করাও এই আমানতদারিরই অংশ। যেসব ব্যবসায়ী সততার সাথে ব্যবসা করেন, তারা আল্লাহর বন্ধু। তবে শর্ত হলো তাদের সব ধরনের খিয়ানত থেকে মুক্ত থাকতে হবে।
التَّاجِرُ الصَّدُوقُ الأَمِينُ مَعَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ
“সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী (আখিরাতে) নবী, সিদ্দিক এবং শহীদগণের সঙ্গী হবেন।” (সুনানে তিরমিজি: ১২০৯)
হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, কিয়ামতের দিন অনেক ব্যবসায়ীকে পাপাচারী হিসেবে ওঠানো হবে, কেবল তারা ছাড়া—যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, সৎকর্ম করেছে এবং সত্যবাদিতার সাথে ব্যবসা করেছে। একজন বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী ব্যবসায়ী হলেন আল্লাহর প্রিয়পাত্র।
তাই, দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি লেনদেন অত্যন্ত সততার সাথে সম্পন্ন করতে হবে। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সাধারণ মুসলমান এবং নিজের পরিবারের প্রতি সব ধরনের হক ও দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। আমাদের সর্বদা মনে রাখতে হবে, সন্তান-সন্ততি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে একটি পবিত্র আমানত।
মহান আল্লাহ জাল্লা জালালুহু এই সন্তান-সন্ততিকে আমাদের কাছে আমানত হিসেবে দিয়েছেন। এই আমানতের দাবি হলো, তাদের সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা এবং উত্তম তরবিয়ত নিশ্চিত করা। দুনিয়ার জীবনের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের আখেরাতের প্রস্তুতি। তাদের দ্বীনি শিক্ষা, ইসলামী আখলাক এবং আদব-কায়দা শেখানো আমাদের অপরিহার্য দায়িত্ব।
আজকের যুগে সন্তানদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে, অত্যন্ত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। তাদের মনে দ্বীনের আলো প্রজ্জ্বলিত করতে হবে, ইসলামী মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে এবং ঈমান ও ইসলামের সঠিক শিক্ষা দিতে হবে। এই শিক্ষার সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হলো আমাদের মসজিদগুলো। মসজিদগুলোতে মক্তব চালু করে সেখানে সাবলীলভাবে কুরআন, ফারসি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্বীনি কিতাবাদি পড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, বহু মসজিদে, এমনকি আমার নিজের মসজিদেও, তরুণরা অত্যন্ত আগ্রহের সাথে দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করছে। তবে অনেকে হয়তো দুনিয়াবী ব্যস্ততার কারণে এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, সন্তানদের সঠিক আকিদা ও ইসলামী চরিত্র গঠনের শিক্ষা দেওয়া অপরিহার্য।
আলহামদুলিল্লাহ, এখন অনেক জায়গায় হিফজুল কুরআনের ব্যাপক প্রসার ঘটছে। যারা কুরআন মুখস্থ করছে এবং এই শিক্ষাদানে যারা নিয়োজিত আছেন, তারা দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জগতেই সফল। আমি কান্দাহারের সম্মানিত উলামায়ে কেরাম, যেমন— শাইখ আবদুল বাছির সাহেব এবং মাদরাসার অন্যান্য দায়িত্বশীলদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তারা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই দ্বীনি শিক্ষার ধারা অব্যাহত রেখেছেন।
আমাদের দেশ, বিশেষ করে কান্দাহার, সব সময়ই ইসলামী শিক্ষার এক অনন্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানকার মাদরাসাগুলোতে তালেবান ও উলামায়ে কেরাম যেভাবে দ্বীনের খেদমত আঞ্জাম দিচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এমনকি এই যুগেও, যখন বিভিন্ন স্থানে ইসলামী শিক্ষার ওপর আঘাত আসছে, তখন আফগানিস্তানের তালেবান ও উলামায়ে কেরাম অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে এই শিক্ষার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছেন।
মসজিদে মসজিদে যেভাবে তালেবানরা দ্বীন শিখছে ও শেখাচ্ছে, তা দেখে আমার হৃদয় জুড়িয়ে যায়। মহান আল্লাহ তাদের জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। এই তালেবান ও উলামায়ে কেরামের প্রতি মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা, তা প্রমাণ করে যে ইসলামের শিকড় এই মাটিতে কত গভীরভাবে প্রোথিত।
আমাদের দেশের প্রতিটি মসজিদে মক্তবের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। সেখানে কুরআন তিলাওয়াত, মাসয়ালা-মাসায়েল এবং দ্বীনের মৌলিক বিষয়গুলো শিক্ষা দিতে হবে। আফগানিস্তানের ইতিহাসে ইসলামের শিকড় অনেক গভীর। হজরত উসমান রাদিআল্লাহু আনহু -এর খেলাফতকাল থেকেই এই অঞ্চলে ইসলামের আলো পৌঁছাতে শুরু করে।
ইতিহাস সাক্ষী, যখনই কোনো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি, যেমন— ইংরেজ বা অন্য কেউ, এই দেশের ওপর আক্রমণ করেছে, তখন এই দেশের উলামায়ে কেরাম এবং সাধারণ জনগণ অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তাদের মোকাবিলা করেছেন। ইসলামের প্রতি তাদের এই অবিচল প্রেম ও আত্মত্যাগের কারণেই আফগানিস্তান আজ একটি স্বাধীন ও ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
ইউরোপ বা অন্য কোনো পরাশক্তি, যারা দুনিয়াকে তাদের হাতের মুঠোয় রাখতে চায়, তাদের সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে আল্লাহ জাল্লা জালালুহু আফগানিস্তানকে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও ইসলামী ব্যবস্থা উপহার দিয়েছেন। এটি কেবল আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ এবং এই দেশের মানুষের দ্বীনের প্রতি ঐকান্তিক ভালোবাসার ফসল।
আমাদের এই স্বাধীনতা এবং ইসলামী ব্যবস্থা—এটি মহান আল্লাহ জাল্লা জালালুহু এর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। এই পরীক্ষা হলো আমরা যেন আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করি এবং কেবল তাঁরই বন্দেগি করি। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের শুধু নামেমাত্র মুসলমান হিসেবে দেখতে চান না, বরং এমন খাঁটি মুমিন হিসেবে দেখতে চান, যারা মুনাফিকি থেকে মুক্ত।
আমরা কেবল তখনই সফল হবো যখন আমরা আমাদের সামগ্রিক জীবনব্যবস্থায়, এমনকি প্রণীত সকল আইনকানুনে, পরিপূর্ণ ইসলামী ব্যবস্থা অনুসরণ করব। এই পরীক্ষার প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের স্মরণ রাখা উচিত যে, একমাত্র আল্লাহই সাহায্যকারী।
إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ
“যখন আল্লাহর সাহায্য এবং বিজয় আসবে।” (সূরা আন-নাসর: ১)
বিজয় এবং সাফল্য তখনই আসবে, যখন আমরা মুমিন হিসেবে আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হবো। দুনিয়ার জীবনে সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ, সবকিছুই মহান আল্লাহর ফয়সালা। যখন কোনো বিপত্তি বা কাঠিন্য আমাদের সামনে উপস্থিত হয়, তখন আমাদের উচিত আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা এবং অবিচল থাকা। আল্লাহ জাল্লা জালালুহু এর ফয়সালা অনুযায়ীই সমস্ত বিষয় নির্ধারিত হয়, তাই কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদের কেবল তাঁরই মুখাপেক্ষী হওয়া বাঞ্ছনীয়।
উলামায়ে কেরামের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ, তারা যেন মুসলিম উম্মাহর, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা এবং আত্মশুদ্ধির দিকে গভীর মনোযোগ দেন। মসজিদে মসজিদে আপনাদের বয়ান, খুতবা ও নসিহতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দ্বীনি উন্নতি সাধনে সচেষ্ট হোন। নিজেদের সন্তানদের দ্বীনি শিক্ষায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। প্রতিটি মসজিদে মক্তব চালু করুন, সেখানে নিয়মিত দ্বীনি তালিম শুরু করুন।
ইসলামী ইমারত (আফগানিস্তান সরকার) যখন কোনো আইন বা ফরমান জারি করে, তার মূল উদ্দেশ্য হলো মুসলমানদের কল্যাণ সাধন। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা বাধ্যবাধকতা নেই। এই সকল ফরমান কেবল তখনই কার্যকর হবে যখন তা মুসলমানদের সার্বিক মঙ্গলের জন্য সহায়ক হবে। সমাজ সংস্কারের এই প্রচেষ্টা তখনই ফলপ্রসূ হবে, যখন জনগণ ও প্রশাসন একসাথে কাজ করবে।
নেতৃত্বের নির্দেশ অমান্য করা বা শরীয়তবিরোধী কোনো কাজে জড়ানো হলো পথভ্রষ্টতা। আমরা চাই আমাদের সকল আইন এবং মানুষের দৈনন্দিন লেনদেন যেন ইসলামী শরীয়তের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। কুরআন এবং হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশনার বাইরে কোনো বিধান আমরা মানতে পারি না।
নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য এবং মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বজায় রাখা অপরিহার্য। যখন উম্মাহ ঐক্যবদ্ধ থাকে, তখনই আল্লাহর রহমত ও সাহায্য বর্ষিত হয়। আর যখন বিভেদ ও অনৈক্য দেখা দেয়, তখন তা আল্লাহর গজব ডেকে আনে।
يَدُ اللَّهِ عَلَى الْجَمَاعَةِ
“জামাতের (ঐক্যবদ্ধ দলের) ওপর আল্লাহর হাত (সাহায্য) রয়েছে।” (সুনানে তিরমিজি: ২১৬৬)
আমাদের শত্রুরা সব সময়ই আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করে। তারা চায় আফগানিস্তানের মুসলমানেরা নিজেদের মধ্যে লড়াই করে ধ্বংস হয়ে যাক। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, ইসলামী ইমারতের বরকতে আজ আফগানিস্তানে যে নিরাপত্তা এবং ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা বিরল। প্রশাসন এবং বিচারব্যবস্থাকে (আদালত) অবশ্যই জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে। তাদের মনে রাখতে হবে যে, তারা কোনো শাসক নয়, বরং এই উম্মাহর খাদেম।
সরকার এবং বিচারব্যবস্থার (আদালতের) সাথে জড়িত সকলকে সর্বদা মনে রাখতে হবে যে, তারা এই উম্মাহর কোনো শাসক নন, বরং তারা নিরঙ্কুশভাবে জনগণের খাদেম বা সেবক। এই দেশের সাধারণ মানুষ ও আমাদের আগামী প্রজন্মের নিঃস্বার্থ খেদমত করাই তাদের জীবনের মূল ব্রত। আমাদের চরম শত্রুরা সব সময়ই আমাদের এই সুদৃঢ় ঐক্য বিনষ্ট করার হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। তারা চায় আমাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে আমাদের শক্তিকে নিঃশেষ করে দিতে। কিন্তু আমাদের সম্মানিত উলামায়ে কেরাম অত্যন্ত প্রজ্ঞার সাথে সরকারকে সঠিক পথের দিশা দিচ্ছেন এবং প্রতিনিয়ত শরীয়তের আলোকে দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন।
শত্রুরা যুগে যুগে ইসলামের অন্তর্নিহিত সৌন্দর্য ও পবিত্রতাকে কলুষিত করার অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে। তারা আমাদের ওপর নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করেছে, আমাদের সাজানো জনপদগুলোতে চরম ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং নিরীহ মানুষদের রক্ত ঝরিয়েছে। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ইসলামের নাম চিরতরে মুছে ফেলা। কিন্তু মহান আল্লাহ জাল্লা জালালুহু এর অশেষ মেহেরবানি এবং ইসলামের চিরঞ্জীব বরকতের সামনে তাদের সমস্ত চক্রান্ত ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। তারা হয়তো ইট-পাথরের স্থাপনা ধ্বংস করতে পেরেছে, কিন্তু মুমিনের হৃদয় থেকে ঈমানের আলো ও ইসলামের প্রতি অগাধ ভালোবাসা কখনোই মুছে ফেলতে পারেনি।
মহান আল্লাহ জাল্লা জালালুহু আমাদের এই দীর্ঘ ও কঠিন পরীক্ষার ময়দানে ‘ইস্তিকামাত’ (দ্বীনের ওপর পাহাড়সম অবিচলতা ও দৃঢ়তা) দান করেছেন। এতকাল ধরে যা কিছু ঘটেছে, তা মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য এক বিরাট পরীক্ষা ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, তিনি তাঁর নিজ অনুগ্রহে আমাদের এই পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে বিজয়ী করেছেন। আজ আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো, এই স্বাধীন ইসলামী শাসনব্যবস্থা এবং এই প্রশান্তিময় মর্যাদাপূর্ণ সময়ের জন্য মহান রবের দরবারে অবনত মস্তকে শুকরিয়া আদায় করা। সমাজে একটি ইনসাফভিত্তিক বিচারব্যবস্থা ও নিরঙ্কুশ ইসলামী আদালত প্রতিষ্ঠা করা মূলত সেই শুকরিয়া আদায়েরই একটি বাস্তব রূপ।
আমি আপনাদের সবাইকে এই অসামান্য সাফল্য ও বিজয়ের জন্য আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি। পরওয়ারদেগারে আলম আমাদের সকলের সিয়াম, কিয়াম ও যাবতীয় ইবাদত কবুল করে নিন। মহান আল্লাহ তাআলা বিশ্বের সমস্ত মুসলমানের ত্রুটিবিচ্যুতি ক্ষমা করে দিন এবং তাদের ওপর স্বীয় রহমতের চাদর বিছিয়ে দিন।
কুফরি শক্তির নির্মম জুলুম ও আধিপত্য থেকে আল্লাহ এই উম্মাহকে চিরতরে মুক্তি দান করুন। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মজলুম মুসলমানদের এবং বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত নির্যাতিত ও অবরুদ্ধ মুমিন ভাইবোনদের আল্লাহ পাক জালিমদের শৃঙ্খল থেকে সম্পূর্ণ নাজাত দিন। হে আল্লাহ, আপনি মুসলমানদের সম্মান ও মর্যাদা বহুগুণে বৃদ্ধি করুন এবং তাদের দান করুন এক চূড়ান্ত ও স্থায়ী বিজয়।
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
“যাবতীয় প্রশংসা কেবলই বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।”



