সম্মানিত ভিজিটর! গাজওয়াতুল হিন্দ ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস- 82.221.136.58, ব্রাউজিং করতে সমস্যা হলে আইপি দিয়ে প্রবেশ করুন!
Home / মিডিয়া / আল-কাদিসিয়াহ মিডিয়া / এক মহান যোদ্ধার অন্তর্ধান – শাইখ আইমান আয যাওয়াহিরি হাফিজাহুল্লাহ

এক মহান যোদ্ধার অন্তর্ধান – শাইখ আইমান আয যাওয়াহিরি হাফিজাহুল্লাহ

بسم الله الرحمن الرحيم

مؤسسة القادسية للإنتاج الإعلامي
আল-ক্বাদিসিয়াহ মিডিয়া
:: تقدم::
:: পরিবেশিত ::

الترجمة البنغالية لإصدار السحاب المرئي
মুক্তিপ্রাপ্ত ভিডিওর বাংলা অনুবাদ

بعنوان
শিরোনামে

وتـــرجــل…الفــارس النــبـيــل
এক মহান যোদ্ধার অন্তর্ধান

للشيخ المجاهد / أيمن الظواهري حفظه الله
মুজাহিদ শাইখ আইমান আল-জাওয়াহিরি আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন

PDF
https://banglafiles.net/index.php/s/WjJL6W9RbtZBozb

WORD
https://banglafiles.net/index.php/s/5aLkA5sDqxd5ajq

للتحميل
winrar
1 MB

https://archive.org/details/ANobleKnightDismountedByAymanAlZawahiribangla

 

مُؤَسَّسَةٌ الْقَادِسِيَّةِ لِلْإِنْتَاجِ الْإِعْلامِيَّ

الثلاثاء 09 رمضان 1432 هـ
09/08/2011

المصدر : مركز صدى الجهاد للإعلام
الجبهة الإعلامية الإسلامية العالمية
رصد لأخبار المجاهدين و تحريض للمؤمنين

===============

এক মহান যোদ্ধার অন্তর্ধান

মুজাহিদ শাইখ আইমান আল-জাওয়াহিরি

(আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন)

আল-ক্বাদিসিয়াহ মিডিয়া

 

এক মহান যোদ্ধার অন্তর্ধান

মুজাহিদ শাইখ আইমান আল-জাওয়াহিরি (আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুন)

আল্লাহর নামে শুরু। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহর বার্তাবাহক, তাঁর পরিবার, তাঁর সাহাবী এবং যারা তাঁকে অনুসরন করেছিল তাঁদের জন্য সকল দোয়া এবং শান্তি।

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু হে পৃথিবীর প্রত্যেক জায়গার মুসলিম ভাইয়েরা। আল্লাহ সুবহানুহুওয়াতাআলা কোরআনে বলেনঃ       

যুদ্ধে অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে কাফেররা যুদ্ধ করে; কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার  করা হয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম।যাদেরকে তাদের ঘর-বাড়ী থেকে অন্যায়ভাবে বহিস্কার করা হয়েছে শুধু এই অপরাধে যে, তারা বলে আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ। আল্লাহ যদি মানবজাতির একদলকে অপর দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে (খ্রীষ্টানদের) নির্ঝন গির্জা, এবাদত খানা, (ইহুদীদের) উপাসনালয় এবং মসজিদসমূহ বিধ্বস্ত হয়ে যেত, যেগুলাতে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়। আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদেরকে সাহায্য করবেন, যারা আল্লাহর সাহায্য করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী শক্তিধর।(সূরা আল-হাজ্জঃ৩৯-৪০)

রাসূল(সল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম) বলেছিলেনঃ

আমার উম্মতের একটি দল কেয়ামত দিবসের আগ পর্যন্ত সত্যের প্রতিরক্ষার জন্য যুদ্ধ এবং বিজয় অভিযান অব্যাহত রাখবে

মুসলিম উম্মাহ, তাওহীদ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পন্ন উম্মাহ, জিহাদ এবং শহীদি উম্মাহ, ত্যাগ এবং মহত্বের উম্মাহ, হিজরত এবং রিবাতের (আল্লাহর রাস্তায় সীমান্ত রক্ষাকারী) উম্মাহদেরকে আমি অবহিত করতে চাই যে শহীদদের ইমাম, মুজাহিদ, পুনর্জাগরণকারি, মুহাজির, রিবাতের সৈন্য,মহান আমির,জ্ঞানী নেতা,একনিষ্ঠ গোলাম,তিনি ছিলেন একজন সংযমী যিনি এই দুনিয়ার প্রতি খুব কমই আসক্ত ছিলেন এবং তুচ্ছ চিন্তা করতেন,ফ্রন্ট লাইনের যুদ্ধের নায়ক,নাস্তিক এবং ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অগ্রদূত,আমেরিকার বিরুদ্ধে জিহাদের এই যুগের ইমাম,উম্মাহর উৎসাহদানকারী এবং ইহার বিজয় এবং সম্মানের প্রতীক, যে উম্মাহর আপমান গ্রহন করাকে প্রত্যাখান করেছে তিনি হচ্ছেন আবু আব্দুল্লাহ উসামা বিন মুহাম্মাদ বিন লাদিন , আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা প্রদর্শন করুন এবং তাঁকে জান্নাতের বিশালতায় অধিবাসী করুন নবীদের সাথে,সত্যবাদী লোকদের সাথে,শহীদদের সাথে এবং  পবিত্র লোকদের সাথে। এবং তাঁদের সাথে যারা সবচেয়ে ভালো সাহাবী ছিলেন।

 [কবিতা]

সে তাঁর রবের দিকে গিয়েছিল শহিদী রক্তের বিস্তার ঘটিয়ে, এ সেই লোক যে আমেরিকাকে বলেছিল “না”। এ সেই লোক যে শপথ নিয়েছিল যেটি তাঁকে আল্লাহর দায়িত্ব থেকে মুক্তি দিবে।আল্লাহর ইচ্ছায় যখন তিনি বলেছিলেন,”আমি চমকপ্রদ আল্লাহর শপথ করে বলছি যিনি আকাশকে কোনও খুঁটি ছাড়া স্থাপন করেছেন, আমেরিকা এবং যারা আমেরিকায় বসবাস করছে তারা নিরাপত্তার স্বপ্ন দেখতে পারে না যতক্ষন না আমরা ফিলিস্তিনে নিরাপদে বসবাস করতে পারবো এবং যতক্ষন পর্যন্ত না তারা মুহাম্মদের(সল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম)  ভূমি পরিত্যাগ করবে”

[কবিতা]

সে তাঁর রবের দিকে গিয়েছিল শহিদী রক্তের বিস্তার ঘটিয়ে, এ সেই লোক যে খুব দ্রুত তাঁর চিন্তার বাস্তবায়ন করেছিলেন যে আখিরাতের ব্যাপারে আমাদেরকে মাষ্টার আসিম বিন থাবিত(আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন) বলেছিলেনঃ

[কবিতা]

যখন আমি একজন শক্তিশালী তীরন্দাজ তখন আমার সাথে কি অন্যায় করবেএবং ধনুকের আছে একটি শক্তিশালি দড়ি।

মৃত্যু সত্য এবং জীবন মিথ্যা যদি আমি তোমাদের সাথে যুদ্ধ না করি তাহলে আমি আমার মা থেকে বিচ্ছিন্ন হবো।

এবং সে খুব দ্রুত তাঁর চিন্তার বাস্তবায়ন করেছিলেন ,যেইটি মাষ্টার আব্দুল্লাহ বিন আল-জুবাইর(আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন) তাঁর মৃত্যুর  ব্যাপারে আমাদেরকে বলেছিলেনঃ

[কবিতা]

আমাদের আঘাত থেকে প্রবাহিত হওয়া রক্ত পায়ের পশ্চাৎভাগে পড়ে না কিন্তু রক্ত ক্ষীনভাবে গড়িয়ে পড়ে আমাদের পায়ের উপর

মহান বীরযোদ্ধা যে তাঁর মনকে ফিলিস্তিনের ভালবাসার মধ্যে আবিষ্ট রেখে ফিলিস্তিনকে ভালবেসেছিল এবং ফিলিস্তিনের জনগণকে বলেছিলেন  “আমি আমাদের ফিলিস্তিনের ভাইদেরকে বলতে চাই,অবশ্যই আপনাদের সন্তানের রক্ত হচ্ছে আমাদের সন্তানের রক্ত, অবশ্যই আপনাদের রক্ত হচ্ছে আমাদের রক্ত এবং অবশ্যই আপনাদের ধ্বংস হচ্ছে আমাদের ধ্বংস। আমরা আল্লাহর নামে সতর্ক করে বলছি বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমরা আপনাদেরকে পরিত্যাগ করবো না অথবা আমরা সেই স্বাদ নিব যেইটি হামজা বিন আব্দুল মুতালিব (আল্লাহ তাঁর উপর রাজি হউন ) নিয়েছিলেন।”

উদার,দানশীল এবং হাসিখুশি , নম্র এবং স্থির এক মানুষ আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তাঁকে যে দেখেছিল এবং তাঁর সাথে যে সাক্ষাৎ করেছিল সবাই তাঁর চরিত্র, তাঁর জিহ্বার পবিত্রতা এবং তাঁর ভদ্রতা,সততা এবং সাধুতার বিশিষ্টতার উপর সবাই একমত।

[কবিতা]

তাঁর আছে সুন্দর গুন এবং সে ভীত শঙ্কিত হয় না সে তাঁর ভালো গুনগুলো এবং ভালো আচার আচরণগুলোর সাথে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করেছিল ।

যখন জনগণের প্রয়োজন হয়েছিল তখন সে তাঁদের ভার বহন করেছিলসে একজন শোভন এবং সে সবসময় হ্যাঁ বলতে পছন্দ করে।

সে তাঁর রবের দিকে গিয়েছিল শহিদী রক্তের বিস্তার ঘটিয়ে, সে এক পরিতৃপ্ত তপস্বী যে এই দুনিয়ার সূক্ষ্মতাকে পিছনে নিক্ষেপ করেন।

তিনি এসেছেন আনুগত্যশীল হয়ে এবং পছন্দ করেছেন জিহাদের জীবন,হিজরত এবং আল্লাহর পথে সন্ন্যাসী জীবন। অতএব আল্লাহতাআলা কোটি কোটি আত্মার অন্তরে তাঁর জন্য ভালোবাসা সৃষ্টি করে দিয়েছেন।সন্ন্যাসী যে তাঁর ঘরে একজন সাধারন মানুষ হিসেবে জীবন যাপন করে চলে গিয়েছে। সে তাঁর অতিথিদেরকে উদারতা দিয়েছিলেন এবং যারা তাঁর আগে গিয়েছিল।

[কবিতা]

ক্ষুধার জন্য ক্লান্ত হয়ে সে ঘুমিয়ে পড়ে-পক্ষান্তরে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি অন্য লোকের উপর বর্ষিত হয়

সে একজন শহীদের মত যে তৃষ্ণার উপর মারা গিয়েছে পক্ষান্তরে তাঁর শিরাগুলোর বিচ্ছেদ ঘটেছে মহত্বের উপর

সে তাঁর রবের দিকে গিয়েছিল শহিদী রক্তের বিস্তার ঘটিয়ে,এ সেই লোক যে তাঁর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ না করা পর্যন্ত আত্মসমর্পন করেন নি এবং  সে নিহত হয়েছিল তাঁর পারিবার ও সন্তানদের মধ্যে। আবু আব্দুল্লাহ আল হোসেইনের (আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন) মতই  আবু আব্দুল্লাহ উসামা বিন লাদিন তাঁর পারিবার ও সন্তানদের মধ্যে নিহত হয়েছিলেন। বিজয়ের ক্রন্দন যেইটি কারবালাতে আবু আব্দুল্লাহ আল হোসেইনের(আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন) সাথে ঘটেছিল, “ শুধু অপেক্ষা কর! তোমাদের জন্য অপমান আসছে!” আবু আব্দুল্লাহ উসামা বিন লাদিন অ্যাবোটাবাদে সাড়া দিয়েছিলেন, “ শুধু অপেক্ষা কর! আমেরিকার দিকে অপমান ঘনিয়ে আসছে! শুধু অপেক্ষা কর! ক্রুসেডার বাহিনীর দিকে অপমান ঘনিয়ে আসছে! শুধু অপেক্ষা কর!পাকিস্তানি এজেন্টদের দিকে অপমান ঘনিয়ে আসছে! পবিত্র স্থানগুলো, পবিত্র স্থানগুলোর জায়গা এবং উম্মাহর সম্মানের ব্যাপারে কিভাবে অবজ্ঞা হচ্ছে!”

[কবিতা]

উসামা বিন লাদেন(আল্লহ তাঁর উপর দয়া করুন) তাঁর রবের নিকট চলে গিয়েছেন , তাঁর লক্ষ্য অর্জনের পর যেইটি তিনি ইচ্ছা করেছিলেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল উম্মাহকে জিহাদের দিকে উদ্দীপ্ত করানো এবং তাঁর বার্তা পূর্ব থেকে পশ্চিমে পৃথিবী প্রত্যেক প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল। যারাই পৃথিবীর এই ভূপৃষ্ঠে অত্যাচার করেছিল মুসলিমরা এর জবাব দিয়েছিল।

উসামা বিন লাদেন অনেকবার এইটি নিশ্চিত করেছেন যে আমাদের কাজ হচ্ছে উম্মাহকে উদ্দীপ্ত করা এবং শহীদ হওয়ার জন্য উদ্দীপ্ত করা। আল্লাহ সুবহানুহুওয়াতাআলা কোরআনে বলেনঃ

আল্লাহর রাহে যুদ্ধ করতে থাকুন, আপনি নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ের যিম্মাদার নন! আর আপনি মুসলমানদেরকে উৎসাহিত করতে থাকুন। শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ খর্ব করে দেবেন। আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা। (সূরা আন-নিসা,আয়াতঃ৮৪)


আজকে সকল প্রশংসা আল্লাহতাআলার। আমেরিকা একাকী, দল অথবা উপদলের সাথে মুখোমুখি হয় নি। না, এইটি মুখোমুখি হয়েছে জাগ্রত জাতির সাথে যারা তাঁদের ঘুম থেকে জেগেছে একটি জিহাদী জাগরনের মাধ্যমে যেইটি আমেরকাকে প্রত্যেক জায়গায় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে।

গত দশ বছরে আমেরিকা চারটি বিধ্বস্ত বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছেঃ

প্রথমঃ নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন এবং পেনসিলভানিয়ার প্রশংসিত আক্রমন যেখানে শহিদী ঈগলরা নিউ ইয়র্কে আমেরিকার অর্থনৈতিক প্রতীক এবং পেনসিলভানিয়ায় আমেরিকার সামরিক নেতৃবৃন্দের কেন্দ্র  ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। এগুলো প্রত্যেকটি তাদের মনোবল, অর্থনীতি এবং সামরিক ক্ষতির প্রতীক বহন করে।

তারপর সেখানে ঘটেছিল দ্বিতীয় বিপর্যয়, আমেরিকা ইরাকে মুজাহিদদের হাতে পরাজিত হয়েছিল, যাদের মধ্যে প্রধান ছিল ইসলামিক ষ্টেট অফ ইরাক। শেষ পর্যন্ত তারা তাদের  সম্পদ,যন্ত্রপাতি এবং তাদের আত্মার সন্তান হারানোর পর নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

এবং তাদের তৃতীয় বিপর্যয় ঘটেছিল আফগানিস্তানে, যেখানে আমেরিকা পরাজয়ের কাদা মাটিতে ডুবে যাচ্ছে , নিয়মিত তাদের রক্ত ঝরছ

এবং ইসলামিক ইমারাতের মুজাহিদদের নিকট আফগানিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চল থাকার পরও আমেরিকা আসছে জুলাই থেকে তাদের সৈন্যদের প্রত্যাহার শুরু করার জন্য অনুমোদন এবং স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছে।

তারপর সেখানে চতুর্থ বিপর্যয় ঘটেছিলঃ তিউনিসিয়া এবং মিশরে আমেরিকার দূর্নীতিবাজ এজেন্টদের দূর্নীতিতে পতিত হওয়া এবং লিবিয়া,ইয়েমেন এবং সিরিয়ার সিংহাসনের দিকে পাথরের স্তুপ পড়ে গিয়েছিল। আমেরিকা চেষ্টা করেছিল তাঁর নিষ্ঠুর জনপ্রিয় আগ্নেয়গিরি ধারন করতে, এরপর তারা থতমত খেয়ে জনগনের আন্দোলনকে সমর্থন করে। কিন্তু মিশর এবং তিউনিশিয়ার জনপ্রিয় আন্দোলন আমেরিকাকে থাপ্পড় দেয় যখন তিউনিশিয়ার বিপ্লবের যুবকেরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে হিলারি ক্লিন্টনের আগমনের বিরুদ্ধে এবং তারা মিশরে হিলারির বৈঠক প্রত্যাহার করেছে।

সে তাঁর রবের নিকট চলে গিয়েছে , এ সেই মানুষ যে আমেরিকার বিরুদ্ধে আমাদের বৃহৎ বিজয়কে নিশ্চিত করে দেখিয়েছিল নৈতিকতা এবং আদর্শের মাঠে তাদের অবনতি এবং পরাজয়ের মাধ্যমে। এবং আল্লাহ যিনি মর্যাদাপূর্ন এবং গৌরবময়ের অধিকারী তিনি উসামা বিন লাদিনকে হত্যা করার মাধ্যমে প্রকাশ করে দিতে চেয়েছিলেন আমেরিকার মিথ্যা বলার অভ্যাস, বীভৎসতা এবং নীচুতা। আমেরিকা ঘোষনা করেছিল তারা উসামা বিন লাদিনকে (আল্লাহ তাঁর উপর দয়া করুন) হত্যা করেছে এবং তারা তাঁর দেহকে ইসলামিক নিয়ম অনুসারে সমুদ্রের মধ্যে নিক্ষেপ করেছে!

এইটা কি ধরনের ইসলাম?!

আমেরিকার  ইসলাম নাকি ওবামার ইসলাম যে তার বাবার ধর্মকে বিক্রি করে দিয়ে খ্রীষ্ঠান হয়ে গিয়েছে, তারপর চরম সন্ত্রাসী ইহুদীদের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ইহুদীদের প্রার্থনা করেছিল?!

এই ধরনের ইসলাম যেইটি আমেরিকা আনন্দের সাথে আমাদের জন্য নিয়ে এসেছে, একটি নীতিভ্রষ্ট ইসলাম,জাল এবং প্রতারনা যেইটি নৈতিকতাহীন অহঙ্কারীর দিকে প্রভাবিত করে এবং আনুগত্য করতে জানে না, না জানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, না জানে ভালো কিছু উপভোগ করতে, না শয়তানের ব্যাপারে অরুচিকর, না জিহাদ করে।

আমেরিকা বিজয়ের সাগর অ্যারাবিয়ান সাগরে নিক্ষেপ করেছিল যেইটি আরব এবং অনারবদের স্বাক্ষী ছিল।

আমেরিকা বীর মুজাহিদের কবর দিতে অস্বীকার করেছিল তাই কোটি কোটি আত্মায় তাঁর সামধি রচিত হয়েছে।

আমেরিকা এর মাধ্যমে তাঁর জঘন্যতা দেখিয়েছিল যে জানে না প্রতিদ্বন্দ্বিদের কিভাবে সম্মান দিতে হয় এবং কিভাবে তারা জানবে যখন তাদের প্রথম জায়গায় সম্মানের অভাব?!

আমেরিকা যে স্বাক্ষর করেছে জেনেভা কনভেনশনে সাধারন জনগন এবং বন্দীদেরকে রক্ষা করার জন্য এবং তারপর তাদের মাধ্যমে নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছিল ভিয়েতনাম,ইরাক,আফগানিস্তান,পাকিস্তান,গুয়ানতানামো এবং এর দুনিয়াব্যাপী এর গোপন জেলখানায়।

আমেরিকা এই স্বাক্ষরিত চুক্তিকে মাঝখানে থামিয়ে দিয়েছে এবং সে চায় অন্যদেরকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের নিয়মকানুন মেনে চলার জন্য। যখন তাদেরকে অনুসরণ করতে বলা এইটি ছিল অনেক বেশি ঔদ্বত্যপূর্ন আচরন। ইহা (আমেরিকা) জানে না দ্বন্দ্বের সাথে ইবনে লাদিনের সম্মান করতে।যখন আমেরিকা তাঁর এই কাজগুলো বার বার করেছিল, উসামা বিন লাদিন (আল্লাহ তাঁর উপর দয়া করুন) সতর্কতা গ্রহন করেছিলেন ঐ সমস্ত ব্যাপারে যেইটি তিনি অনুসরণ করতে একমত হয়েছিলেন।যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর তোরা বরাতে প্রায় ১০০ মুনাফিক মুজাহিদদের ফাঁদে পড়ে গিয়েছিল। তারা এবং তাদের মৃত্যুর মাজখানে মুজাহিদদের জন্য একটি মাত্র নির্দেশ এইটি ছিল তাদেরকে সোজা গুলি করা। কিন্তু শাইখ উসামা বিন লাদিন তাঁর ভাইদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদেরকে ফাঁদের মধ্যে ছেড়ে আসতে এবং তারা তাদের উপর একটি বুলেটও নিক্ষেপ করেনি।

এবং আলোচিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরে, মুজাহিদগন কিছু মুনাফিকদের ওয়েবসাইট আক্রমন করে এবং তা কুক্ষিগত করে, কিন্তু শেখ তাদের অপহৃত জিনিস তাদের প্রত্যাবর্তন করার আদেশ দেন,এবং এটা নীচতা এবং উদারতা মধ্যে পার্থক্য।

তিনি তার পালনকর্তার দিকে গিয়েছেন একজন শহীদ হিসেবে। তিনি যখন জীবিত ছিলেন তখনও আমেরিকাকে সন্ত্রস্ত করেছিলেন এবং তার মৃত্যুকে তিনি বানিয়েছিলেন নিদারূণ ভীতি। এ কারনে তারা তার জন্য কবর তৈরীর সময়েও কম্পিত হয়েছিল। যেহুতু তারা জানতো তার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রেম মওজুদ আছে, এটা তাদেরকে সন্ত্রস্ত করে দিয়েছিল যদিও তিনি মৃত। তাই তারা তার শরীরের একটি ছবি প্রকাশ করতে অক্ষম, তারা পরিমাণ বুঝতে পেরেছিল যে ইসলামিক আক্রোশ তাদের এবং তাদের অপরাধের জন্য নিদিষ্ট।

শেখ ওসামা বিন লাদেন, তার উপর আল্লাহ রহমত বর্ষন করুন একটি শঙ্কা ও ভয় হয়ে থাকবেন আমেরিকা, ইসরাইল, তাদের ক্রুসেডার জোটের, এবং তাদের অসাধু এজেন্টদের জনও। তাঁর সেই বিখ্যাত অঙ্গীকার আল্লাহ ইছ্যায় তাদের বিচরণস্থানে থাকবো “তোমরা নিরাপত্তার স্বপ্নও দেখতে পারবেনা যে পর্যন্ত আমরা সত্যিকার ভাবে নিরাপত্তায় বসবাস করবো এবং যে পর্যন্ত তোমরা মুসলিম ভূখন্ডে ছেড়ে চলে যাবে”

শেখ ওসামা বিন লাদেনের (তাঁর উপর আল্লাহ রহমত করুন) জন্য ভালবাসা রুপায়িত হয়ে ওঠে। মুসলমান জনসাধারণের মাঝে যারা তার মৃত্যুর পর মার্চ প্রদর্শন করেছিল অন্তরে তাদের আমেরিকা জন্য ঘৃণা আর তার জন্য ছিল ভালবাসা। ম্যানিলা থেকে কায়রো হয়ে গাজা এবং লেবানন, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও পাকিস্তানে।

এবং এখানে আমি সকল কে আমার ধন্যবাদ এবং আমার ভাইদের ধন্যবাদ প্রকাশ করতে চাই তাদেরকে যারা এই মহাকাব্যিক যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলেন, ইসলামের এক শহীদের জন্য সারা বিশ্ব জুড়ে সহস্রাধিক লোক যারা প্রার্থনা করেছিলেন অনুপস্থিত সালাতের মাধ্যমে এবং যারা শেখ কে প্রশংসা করেছিলেন। তাকে ও তার জিহাদ এর উপর আল্লাহ রহমত করুন । আমি উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করছি কিছূ নাম, শেখ হাফিজ সালামা, মুফতি কেফাইয়াতউল্লাহ, শেখ হাসান আইইয়াশ,অধ্যাপক ইসমাইল হানীইয়া, এবং অনেকে আল্লাহ তাদের পুরস্কার দান করুন।

হে আমাদের মূল্যবান মুসলিম উম্মাহ! শেখ (তাঁর উপর আল্লাহ রহমত বর্ষন করুন) একজন শহীদ হিসাবে তার পালনকর্তার কাছে গিয়েছেন (আমরা তাকে বিবেচনা করি এভাবেই) এবং এটা আমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব যে জিহাদের কাজ ও মুসলিম ভূখন্ডে থেকে দখলকারীদের বের করে দেয়া এবং নিপীড়ন এবং অত্যাচারের প্রায়শ্চিত্ত করা।

সুতরাং, আমরা বিশ্বাসীদের আমির মোল্লা মুহাম্মদ উমরের উপর আমাদের অঙ্গীকার পুনরায় ব্যক্ত করছি তাকে আল্লাহ রক্ষা করূন। আমরা তাকে শুনতে ও মানতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি প্রীতিকর অপ্রীতিকর সময়ে ও আল্লাহ পথে জিহাদে, শরিয়া বাস্তবায়নে এবং মজলুমদের সমর্থনে।

একইভাবে,আমরা একটি বার্তা পাঠাই যে আফগানিস্তানে,পাকিস্তান,ইরাক,সোমালিয়া,আরব উপদ্বীপ এবং ইসলামী মাগরেব এ মুজাহিদীনদের সহায়তা করার জন্য। আমরা তাদেরকে আহবান করছি ক্রুসেডারদেরকে এবং তাদের গোলামদেরকে তাড়িয়ে হত্যা এবং যুদ্ধ করতে বৃহত্তর প্রচেষ্টা চালান।

এবং আমরা দখলকৃত ফিলিস্তিনের মুজাহিদীন হাতে হাত রাখছি এবং আমরা তাদেরকে এবং ধৈর্যশীল, মুরাবিত মুসলিম উম্মাহ যারা বায়তুল মাকদিস এলাকার তাদের নিশ্চিত করছি যে আমরা কুরবানী করবো যা আমাদের নিকট প্রিয় এবং মূল্যবান যাতে আমরা আমেরিকার নিরাপত্তাকে অস্বীকার করব যতদিন না সত্যিই আপনারা ফিলিস্তিনের মধ্যে একটি বাস্তবতা হিসেবে জীবনযাপন করেন এবং আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই যারা আমেরিকা জন্য ঘৃণা এবং শেখের (তাঁর উপর আল্লাহ রহমত পাঠান) জন্য আন্তরিক অনুভূতি ও সমর্থন দেখিয়েছেন ।

অনুরুপভাবে, পাকিস্তানের মুসলিম উম্মাহর জনগণকে উদ্দীপ্ত করবো সামরিক বনিক এবং অর্থলোলুপ নেতাদের বিরুদ্ধে জেগে উঠার জন্য যারা তাদের ভাগ্যের ব্যাপারে প্রভুত্ব করে এবং যারা পাকিস্তানকে আমেরিকার উপনিবেশে পরিণত করতে চায় যার মাধ্যমে তারা যাকে ইচ্ছা তাকে হত্যা করতে পারবে,  যাকে ইচ্ছা তাকে ধরে নিয়ে যেতে পারবে এবং যেকোনো গ্রাম ধ্বংস করে দিতে পারবে। এই সকল সৈন্য এবং নেতারা পাকিস্তানের গৌরব এবং সম্মানকে কিছু পরিমাণ ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছিল।

হে পাকিস্তানের মুসলিম জনগণ তিউনিশিয়া,মিশর,লিবিয়া,ইয়েমেন এবং সিরিয়ার জনগণের মতো জেগে উঠুন।অপমানের ধূলিকে ঝেড়ে ফেলুন এবং তাদেরকে পরিত্যাগ করুন যারা আপনাদেরকে আমেরিকার দাসত্বের বাজারে বিক্রি করে দিয়েছিল।

অনুরুপভাবে, আমি প্রত্যেক জায়গার মুজাহিদদেরকে সুপারিশ করবো মুসলিম উম্মাহর সাধারন জনগণের মাঝে যোগ দেওয়ার জন্য এবং সংগ্রাম করুন তাদের সেবা করার জন্য, তাদের প্রতিরক্ষার জন্য এবং তাদের নিরাপত্তাকে নিরাপদ করার জন্য এবং তাদের পবিত্রতার জন্য। বাজারগুলো,মসজিদগুলো এবং জনবহুল এলাকাগুলোতে  ঐ সকল আক্রমন থেকে দূরে থাকুন যেইগুলো তাদেরকে বিপদের মুখোমুখি  দাঁড়া করাবে। আমরা তাদের আত্মরক্ষা এবং তাদের সম্মান ব্যতীত আমাদের বাড়িগুলোকে পরিত্যাগ করিনি এবং আমাদের জন্মভূমি ছেড়ে হিজরত করিনি ।

অনুরুপভাবে,আমরা সকল মুসলিম জনগনকে এইটি নিশ্চিত করছি যে আমরা আপনাদের সৈন্য এবং আল্লাহর ইচ্ছায় কাশ্মীর,ফিলিপাইন,আফগানিস্তান,চেচনিয়া,ইরাক এবং ফিলিস্তিনকে দখলদারদের থেকে মুক্ত করার যেকোনো চেষ্টা আমরা পরিত্যাগ করবো না ।

এবং আমারা তিউনিসিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন এবং সিরিয়ার প্রশংসিত জাগরণকে সমর্থন দিব।আমেরিকা এবং তার দালালদের বিরুদ্ধে আমরা একটি একক বাহিনী হিসেবে যুদ্ধ করছি।

আমরা প্রিয় সিরিয়ার মুসলিম উম্মাহর জনসাধারনকে আহবান করছি দুর্নীতিগ্রস্ত, অপরাধজনক শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগ্রাম, যুদ্ধ এবং জিহাদ অব্যাহত রাখার জন্য যারা তাদের নিজের লোকদের রক্ত ঝরিয়েছে।

 [কবিতা]

অনুরুপভাবে,আমরা ইয়েমেনের আনুকল্য এবং ইয়েমেনের বিজ্ঞ চিন্তা ও ভাবনার বিষয়ে প্রিয় ইয়েমেনের জনগণকে এইটি নিশ্চিত করতে চাই যে আমরা আপনাদের পাশে আছি দুর্নীতি,অত্যাচারি শাসক আলি আব্দুল্লাহ সালেহ এবং তার দলবলের বিরুদ্ধে আপনাদের বেড়ে উঠা আন্দোলনে।আমি উপসাগরীয় জনসাধারনকে এই বিষয়ে তাদেরকে গুরুত্ব দিতে বলবো যে আমেরিকার সমর্থক এবং রাজনৈতিক চাতুরিপনার মাধ্যমে বোকা হবেন না , যারা তাঁদের প্রশংসিত বিপ্লবকে বাধা দিতে একজন অত্যাচারি এবং আমেরিকার দালালকে সরিয়ে অন্যএকজন অত্যাচারি এবং আমেরিকার দালালকে বসাতে চায়।

অতএব তাঁদের উপর এইটি অবশ্যই কর্তব্য তাঁদের ত্যাগ এবং ক্রোধকে ততক্ষন পর্যন্ত সচল রাখতে হবে যতক্ষন পর্যন্ত না দুর্নীতিগ্রস্ত দালাল শাসক অদৃশ্য না হয় এবং তার পরিবর্তে একটি ন্যায়নিষ্ঠ শাসনকাল ফিরে না আসে যেখানে শাসন হবে শরীয়া আইন দ্বারা,ন্যায়পরায়নতা ছড়িয়ে যাবে, আইনসভা বিস্তার লাভ করবে,সম্পদের সুষ্ঠ বন্টন হবে, দূর্বল লোকেরা সবল লোকদের মত সমান অধিকার পাবে, দুর্নীতির শিকড় উপড়িয়ে ফেলা হবে এবং আমেরিকা ও তাদের দালালদেরকে বিজয় ও সম্মানের ইয়েমেন থেকে বের করে দেওয়া হবে।

দৃঢ়চিত্তের জনগণ লিবিয়ার মুজাহিদদেরকে আমরা বলতে চাই যেঃ হে মুজাহিদদের পুত্ররা এবং ইসলামের দূর্গরক্ষাকারীর বংশধরেরা পূর্বপুরুষদের যোগ্য উত্তরসূরী হয়ে উঠো।আপনাদের পিতারা আল্লাহর আয়াতগুলোকে উচ্চে তুলে ধরার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। অতএব আপনাদের দায়িত্বকে পরিত্যাগ করবেন না এবং গাদ্দাফির মত নাস্তিক অথবা ক্রসেডার ন্যাটো জোটের থেকে কোনো অপমান গ্রহন করবেন না। গাদ্দাফির উপর বোমা ফেলার জন্য ন্যাটোর ক্রসেডারকে আপনাদের স্বাধীনতা,মর্যাদা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের বিষয়ে দরকষাকষির কোনো সুযোগ দিবেন না।প্রস্তুত করেন,  প্রস্তুত থাকেন,নিজেকে সজ্জিত করেন এবং অস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জামগুলো মজুত করেন তাহলে কেউ আপনাদের উপর তাদের শর্তগুলো বল প্রয়োগ করে চাপিয়ে দিতে সাহস করবে না।

যে সমস্ত ভাইয়েরা প্রত্যেক জায়গায় ইসলামের জন্য কাজ করছে আমরা তাদেরকে বলতে চাইঃ আমাদের হাতগুলো আপনাদের দিকে বর্ধিত এবং আমাদের আত্মাগুলো আপনাদের জন্য খোলা, আমাদের জন্য নির্দেশ আল্লাহর আয়াতগুলোকে উচ্চে তুলে ধরার জন্য এবং শরীয়াহ শাসক তৈরী করতে এবং ইসলামের ভূমিগুলোতে মানব রচিত আইন না রাখতে একে অপরকে সহযোগীতা করাঃ তাদেরকে  নির্দেশ দিব কিন্তু  অনুসরন করবো না, নেতৃত্ব দিব কিন্তু তাদেরকে নেতা হিসেবে গ্রহন করবো না, তাদের কাছে বৈধ হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো না এবং  কতৃপক্ষের একটি অংশ হবো না। আমরা প্রত্যেক আগ্রাসী দখলদার ও সকল দুর্নীতিবাজ দালালদের থেকে মুসলিম ভূমিগুলোকে স্বাধীন করার জন্য একসাথে দাঁড়াবো এবং পৃথিবীর সকল নির্যাতিতকে সমর্থন দিয়ে যাব।

যারা ইসলামের জন্য কাজ করছে আমার সেই সমস্ত ভাইয়েরা, উদীয়মান তিউনিশিয়া এবং দুর্নীতিবাজ জালিম শাসককে অদৃশ্য করার জন্য দরজা খোলা হয়েছে। অতএব একে অপরকে সহযোগীতা করুন, অন্যজনের প্রতি নির্ভর করুন এবং মুসলিম উম্মাহকে উদ্দীপ্ত করুন জনসাধারনের  জনপ্রিয় আন্দোলনে এবং একটি সমবেত উদ্দীপ্তকারী বাতাস শরীয়াহ শাসক তৈরি করতে পারে এবং তাদের দ্বারা শাসিত হবে না, ভূমি থেকে দুর্নীতি এবং চৌর্যবৃত্তি দূর হবে, মজলুম বন্দীদের ট্র্যাজেডির পরিসমাপ্তি ঘটবে,ন্যায়সঙ্গতভবে সুন্দররূপে সম্পদকে ভাগ করা হবে, সমাপ্তি ঘটানো হবে সকল প্রকার সামাজিক এবং রাজনৈতিক নির্যাতন এবং আপনাদের ভূমিগুলোকে ইসলামের জন্য আশ্রয়স্থলের মত হবে এবং সমর্থন দিবে ফিলিস্তিন ও অন্য যেকোন জায়গার মুসলিমদেরকে।

শেষ শব্দগুলো ওবামার জন্য সংরক্ষিত, আমেরিকা এবং এর জোটগুলো তাকে অনুসরণ করেছিলঃ আপনারা যখন আগে মুনাফিকির সাথে কাবুলে প্রবেশ করেছিলেন তখন উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন।তারপর আপনাদের এই উল্লাস তোরা বোরায় হতাশায় পরিণত হতে বেশিদিন সময় লাগে নি এবং পরাজিত হয়েছিলেন শাহ-ই-কোট এ। ঐতিহাসিকভাবে দূর্ভাগ্য আপনাদের নিকট অবিরত এসেছিল যেখান থেকে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোন উপায় নেই।ইসলামিক ইমারাতের মুজাহিদরা আপনাদেরকে একের পর এক অধ্যায় শিক্ষা দিচ্ছে এবং যখন আপনারা মিথ্যা বলছেন তখনই আপনাদের মিথ্যাগুলোর মুখোশগুলোকে উন্মোচিত করে দিচ্ছে। আপনি ঘোষনা দিয়েছিলেন মার্যা মুক্ত করবেন এবং মিথ্যুক ওবামা ঘোষনা দিয়েছিল সে ঘন্টার পর ঘন্টা অবস্থান পর্যবেক্ষন করতেছে। শেষপর্যন্ত ভয়ংকর পরাজয়ের মাধ্যমে এইটি ফিরে এসেছিল।

আপনি ঘোষনা করেছিলেন আপনি আফগানিস্তানের আর্মি এবং পুলিশকে প্রশিক্ষন দিবেন, এইভাবে ইসলামিক ইমারাতের মুজাহিদরা তৃতীয়বারের মত কান্দাহার জেলখানা আক্রমন করেছে। তারপর  শাইখের শহীদ হওয়ার পর তাঁরা (মুজাহিদরা) কান্দাহারের বিরুদ্ধে একটি অভিযান পরিচালনা করে, ইহার নেতাকে হত্যা করে, তাদের নিরাপত্তা কেন্দ্রে আক্রমন পরিচালনা করে এবং তাদের সংযোগ রাস্তা বিচ্ছিন্ন করে এইটি প্রমান করে দেখিয়ে দেয় যে আপনাদের সমস্ত পরিকল্পনা ব্যর্থ।

আপনারা দ্বিতীয়বার উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন যখন আপনারা সাদ্দাম হোসেনকে অপসারন করেছিলেন এবং বুশ দাম্ভিকভাবে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল এইটি ঘোষনা করতে যে ইরাকের প্রধান সামরিক অভিযান সমাপ্ত হয়েছে।কিন্তু আপনাদের এই উল্লাস আপনাদের রক্তক্ষরন হওয়ার জন্য এবং সম্পদ ও যন্ত্রপাতির জন্য বিস্ফোরন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরপর আপনারা মুজাহিদদের নিকট ইরাককে ছেড়ে দিতে এবং নিজেদের সৈন্য প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

এবং আজকে আপনারা আবার উল্লাস প্রকাশ করতেছেন উম্মাহর বীর ইমাম উসামা বিন লাদিনের(আল্লাহ তাঁর উপর দয়া করুন) শহীদ হওয়ার পর, আপনাদের এই উল্লাসের পর কি সংঘঠিত হবে এইটির জন্য অপেক্ষা করুন।

[কবিতা]

 

 

এইভাবে দুঃখ আমেরিকার জন্য এবং তার জনগণের জন্যযদি আমি প্রস্তুতি গ্রহন করি আল কায়েদার জিহাদে

মঙ্গলবারের মত একটি খারাপ দিনের জন্যযখন আমরা সফল হয়েছিলাম এবং  কুফফারদের রক্তপাত ঘটেছিল।

এবং আমাদের শেষ দোয়া সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি এই বিশ্বের মালিক ।

এবং আমাদের নবী (সল্লাল্লাহুআলাইহিওয়াসাল্লাম),তাঁর পরিবার এবং তাঁর সাহাবিদের উপর আল্লাহর রহমত এবং শান্তি বর্ষিত হোক।

আস-সালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু

প্রচারনায় আস-সাহাব মিডিয়া ফাউন্ডেশন

বুধবার,রজব ৬,১৪৩২

জুন ৮,২০১১

উৎসঃআল-ফজর মিডিয়া সেন্টার

অনুবাদঃ

আল-ক্বাদিসিয়াহ মিডিয়া

মারকাজ সাদা আল- জিহাদ
গ্লোবাল ইসলামিক মিডিয়া ফ্রন্ট
পর্যবেক্ষন করছে মুজাহিদীন খবর এবং বিশ্বাসীদের অনুপ্রানিত করছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চিন্তাধারা সিরিজ- ৩৪ || মিল্লাতে ইবরাহীম ও তার অকাট্য বিষয়গুলোর প্রতি শিথিলতা || শাইখ সাঈদ আশ-শিহরী রহিমাহুল্লাহ

​  مؤسسة الحكمة আল হিকমাহ মিডিয়া Al-Hikmah Mediaتـُــقدم পরিবেশিত Presents الترجمة البنغالية বাংলা অনুবাদ Bengali ...