সম্মানিত ভিজিটর! গাজওয়াতুল হিন্দ ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস- 82.221.136.58, ব্রাউজিং করতে সমস্যা হলে আইপি দিয়ে প্রবেশ করুন!
Home / অডিও ও ভিডিও / একটি তরবিয়তি দারস || হেদায়েতপ্রাপ্ত দল আর হেদায়েতবঞ্চিত দলের মাঝে সমীকরণ -উস্তাদ উসামা মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ
একটি তরবিয়তি দারস || হেদায়েতপ্রাপ্ত দল আর হেদায়েতবঞ্চিত দলের মাঝে সমীকরণ -উস্তাদ উসামা মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ

একটি তরবিয়তি দারস || হেদায়েতপ্রাপ্ত দল আর হেদায়েতবঞ্চিত দলের মাঝে সমীকরণ -উস্তাদ উসামা মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ

بسم الله الرحمن الرحيم
مؤسسة النصر
تقدم

ہدایت یافتہ تحریکوں اور ہدایت سے محروم تحریکوں کے مابین
اہم ترین فرق

ایک تربیتی دورے سے ماخوذ نشست
استاد اسامہ محمود – حفظه الله

হেদায়েতপ্রাপ্ত দল আর হেদায়েতবঞ্চিত দলের মাঝে সমীকরণ
[একটি তরবিয়তি দারসের সারাংশ]
উস্তাদ উসামা মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ


https://mediagram.io/UMBangla

Tarbiyati Dars_Bangla_Dubbing_1080.mp4 (292MB)
https://archive.org/download/an_nasar_dars/Tarbiyati%20Dars_bangla%20dubbing.mp4

Tarbiyati Dars_Bangla_Dubbing_720.mp4 (64MB)
https://archive.org/download/tarbiyatidarsbanglasubtitle720/Tarbiyati%20Dars%20Bangla%20Dubbing-720.mp4

Tarbiyati Dars_Bangla_Dubbing_480.mp4 (38.4MB)
https://archive.org/download/tarbiyatidarsbanglasubtitle720/Tarbiyati%20Dars%20Bangla%20Dubbing-480.m4v

Tarbiyati Dars_Bangla Subtitle_1080.mp4 (301MB)
https://archive.org/download/an_nasar_dars/Tarbiyati%20Dars_bangla%20Subtitle.mp4

Tarbiyati Dars_Bangla Subtitle_720.mp4 (65.9MB)
https://archive.org/download/tarbiyatidarsbanglasubtitle720/Tarbiyati%20Dars_bangla%20Subtitle_720.mp4

Tarbiyati Dars_Bangla Subtitle_480.mp4 (40.8MB)
https://archive.org/download/tarbiyatidarsbanglasubtitle720/Tarbiyati%20Dars_bangla%20Subtitle_480.mp4

Tarbiyati Dars_Bangla Dubbing.mp3 (17.6MB)
https://archive.org/download/an_nasar_dars/Tarbiyati%20Dars_bangla%20dubbing.mp3

Tarbiyati Dars_Doc
https://archive.org/download/tarbiyatidarsbangla/Tarbiyati%20Dars_bangla.docx

Tarbiyati Dars_PDF
https://archive.org/download/tarbiyatidarsbangla/Tarbiyati%20Dars_bangla.pdf

tarbiya GIF image
https://archive.org/download/an_nasar_dars/Home%20Page.gif
http://www.mediafire.com/file/6w14uh2fk88w784/Home_Page.gif/file

tarbiya_bennur
https://archive.org/download/an_nasar_dars/bennur.jpg
http://www.mediafire.com/file/s61r1xzderg0lav/bennur.jpg/file

Tarbiya_bennur02
https://archive.org/download/an_nasar_dars/bennur%2002.jpg
http://www.mediafire.com/file/itvuf7qkqzqkd4e/bennur_02.jpg/file

 ——————————-

 

হেদায়েতপ্রাপ্ত দল আর হেদায়েতবঞ্চিত দলের মাঝে সমীকরণ

[একটি তরবিয়তি দারসের সারাংশ]

উস্তাদ উসামা মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ

 

الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على رسوله الكريم

رب اشرح لي صدري ويسرلي أمري واحلل عقدة من لساني يفقهوا قولي

আমার প্রিয় ভায়েরা! এগুলো কিছু মৌলিক কথা,যা বুঝা,তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা এবং মনে ও স্মৃতিতে তা গেঁথে রাখা জরুরী। হেদায়েতপ্রাপ্ত আন্দোলন আর হেদায়েত থেকে বিচ্যূত আন্দোলনের মাঝে এক বিরাট ব্যবধান থাকে। সেই ব্যবধানকে সর্বদা আমাদের সামনে রাখতে হবে।

যেসব আন্দোলন হেদায়েতের পথে চলে, নবীদের পথে এবং আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের সুন্নাহর উপর পরিচালিত হয়। আর যেসব আন্দোলন এই পথ থেকে বিচ্যূত, এই দুই আন্দোলনের মাঝে থাকে বিরাট ব্যবধান। ব্যবধানটি হল, যখনই এসব আন্দোলন ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়, যদি সেই আন্দোলন হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়, আল্লাহর কিতাব এবং রাসূলের সুন্নাহর আলোতে দীক্ষিত হয় এবং সেই ছাচে গঠিত হয় তবে সে আন্দোলন এ ব্যর্থতার কারণ নিজের অন্তরে, তার সদস্যরা নিজেদের অন্তরে, নিজেদের কাজ কারবার, নিজেদের আমল ও দাওয়াতের মাঝে এবং নিজের আমলের মাঝে তালাশ করে।

পক্ষান্তরে গোমরাহ আন্দোলন বা হেদায়েতের পথ থেকে বিচ্যূত আন্দোলন যদি ব্যর্থতার মুখোমুখি হয় তবে সে এ সীমানার বাহিরে চলে যায়, অর্থাত সে নিজের হিসাব নেয় না। নিজের ঈমানের দিকে দৃষ্টি দেয় না। তার সদস্যরা নিজেদের দাওয়াতের জরিপ চালায়না। নিজেদের হিসাব নিকাশ নেয় না। নিজেদের কথা কাজের নিরিক্ষণ করেনা। বরং তাদের পুরা মনোযোগ জাগতিক উপকরণ আর জাগতিক সমস্যার দিকে থাকে। তারা বাতিল শক্তি ও নিজেদের দুশমনকে ব্যর্থতার কারণ সাব্যস্ত করে। এই বাতিল শক্তি এবং বাতিল শক্তির স্ট্রাটেজির পাওয়ার খুব বেশী ছিল। বাতিলের কছে উপকরণ বেশী পরিমাণে ছিল। আমাদের কাছে উপায় উপকরণ খুবই কম ছিল। একারণে আমাদের ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু যে আন্দোলন হেদায়েতপ্রাপ্ত, যে আন্দোলন আল্লাহপ্রদত্ব হেদায়েত মতে চলার চেষ্টা করে সে আন্দোলন যখনই ব্যর্থতার মুখোমুখি হয় তখনই সে নিজের দিকে মনোনিবেশ করে। নিজের আমলের দিকে মনোযোগ দেয়। যখন তাঁদের থেকে ভিটেমাটি কেড়ে নেওয়া হয়, তাঁদের দাওয়াতের বদনাম করা হয়, যখন তাঁদের দাওয়াত শোনার কেউ থাকে না, যখন তাঁরা বিভিন্ন সমস্যা ও বিপদে পড়ে যায়, যখন তাঁদের দিকে সদস্য আসার পরিবর্তে ভাগা শুরু করে যখন মানুষের মনে তাঁদের দাওয়াতের মহত্ব ও ভালোবাসা বৃদ্ধির পরিবর্তে কমতে শুরু করে, তখন সেই হেদায়েতপ্রাপ্ত আন্দোলন থমকে দাঁড়ায়। সে  তৎক্ষণাৎ নিজের নিরিক্ষণ শুরু করে দেয়। তার সদস্যরা নিজেদের হিসাব নিকাশ নেওয়া শুরু করে দেয়।

এই পদ্ধতির উপরই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র আন্দোলন ছিল। সাহাবায়ে কেরামের আন্দোলন ছিল। যার নেতৃত্ব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়েছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নেতৃত্বে সাহাবায়ে কেরামের তরবিয়ত আল্লাহ এভাবেই করেছেন। লক্ষ্য করুন, অহুদের যুদ্ধে যখন সাহাবায়ে কেরাম ক্ষতবিক্ষত হলেন এবং কষ্টে পড়ে গেলেন। তাঁরা রক্তাক্ত হলেন। এমনকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও রক্তাক্ত হলেন। ঐ সময়ে সাহাবায়ে কেরাম বলাবলি করেছিলেন,  এই বিপদ কোথা থেকে আসল? তো আল্লাহ তখন কী বলেছিলেন? সেখানে তাঁদের মনোযোগ এ বলে দুনিয়ার সরঞ্জামাদীর দিকে ফেরানো হয়নি যে, তোমাদের কাছে অস্ত্র ছিলনা। তোমাদের তরবারি কম ছিল। তোমাদের কাছে বর্শা কম ছিল। তোমাদের কাছে ঘোড়া কম ছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা বললে এভাবে বলব, তোমাদের কাছে ক্লাশিনকোভ কম ছিল। তোমাদের কাছে বারুদ ছিলনা। তোমাদের লোকসংখ্যা কম ছিল। তোমাদের স্ট্রেটেজি ও প্লানিং সঠিক ছিলনা। এসবের দিকে মনোযোগ ঘোরানো হয়নি। বরং সেখানে আল্লাহর নবী উপস্থিত ছিলেন। সাহাবায়ে কেরামের মত পবিত্র আত্মাগণ ছিল। তাঁদের সম্পর্কে আল্লাহ কী বলেছেন? যে সময়ে সকলে রক্তাক্ত, ক্ষত বিক্ষত। ঐ সময়ে আয়াত [সুরা আলে ইমরান-১৬৫] অবতীর্ণ হল-

أَوَلَمَّا أَصَابَتْكُم مُّصِيبَةٌ

“যখন তোমাদের বিপদ পৌঁছল।”

قَدْ أَصَبْتُم مِّثْلَيْهَا قُلْتُمْ أَنَّىٰ هَٰذَا

“তোমাদের তো দ্বিগুন বিপদ পৌঁছেছে। তোমরা বললে এ বিপদ কোথা থেকে আসল।”

قُلْ هُوَ مِنْ عِندِ أَنفُسِكُمْ ۗ

“হে নবী আপনি বলুন, এই যে তোমাদের বিপদ পৌছল, এটা তোমাদের নিজেদের কারণে।”

অতএব তোমরা নিজেদের দিকে মননিবেশ করে দেখ– তোমাদের আমলে কী ত্রুটি আছে। এরপর আল্লাহ বলছেন,

إِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ [٣:١٦٥]

“নিশ্চয় আল্লাহ সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।”

আল্লাহ সব ধরণের সাহায্যের উপর ক্ষমতাবান। যেভাবে চান সেভাবে তোমাদের সাহায্য করতে পারেন। কিন্তু তোমাদের আমলে কোন ত্রুটি হয়ে গেছে। এই সত্য পথে রাসূলের অনুসরণের মাঝে, শরিয়তের উপর আমল করতে গিয়ে তোমাদের কোন ত্রুটি হয়ে গেছে। একারণে তোমাদের এ বিপদ এসেছে। একারণে বর্তমানে যদি কোন জিহাদী দল বিপদে পড়ে, কোন সমস্যায় পড়ে এবং তার সাথী শহিদ হয়। এভাবে আমাদের জিহাদী আন্দোলনকে দেখতে হবে। যদি আমাদের সাথীরা শহিদ হতে থাকে, তাদেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়, আমাদের অর্থসম্পদ আত্মসাৎ করা হয়, তখন এই আয়াত আমাদের সামনে রাখতে হবে। আমাদের নিজেদের হিসাব নিতে হবে। এটা হক দলের একটা বড় বৈশিষ্ট।

আপনি লক্ষ্য করুন, মহান আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে, সাহাবায়ে কেরামকে এবং পুরা উম্মাহকে সম্বোধন করছেন। আল্লাহ আমাদের সম্বোধন করে বলছেন-

وَلَا تَهِنُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَنْتُمُ الْأَعْلَوْنَ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ

“তোমরা হীনবল হয়ো না, তোমরা দুঃখিত হয়ো না, তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।” [সুরা আলে ইমরান-১৩৯]

আর এ আচরণ শুধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের সাথে নয়। মহান আল্লাহ তো পূর্বের উম্মতের ব্যাপারেও বলেছেন। তাঁদের অবস্থা এমন ছিল,

وَكَأَيِّن مِّن نَّبِيٍّ قَاتَلَ مَعَهُ رِبِّيُّونَ كَثِيرٌ فَمَا وَهَنُوا لِمَا أَصَابَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَمَا ضَعُفُوا وَمَا اسْتَكَانُوا ۗ وَاللَّهُ يُحِبّ ُ الصَّابِرِينَ [٣:١٤٦]

“কত নবীর সাথে থেকে বহু আল্লাহওয়ালা লড়াই করেছে। কিন্তু আল্লাহর রাস্তায় তাঁদের যে বিপদ পৌছেছে, সে কারণে তাঁরা হীনবল হয়নি, তাঁরা দুর্বল হয়নি, ভেঙ্গে পড়েনি। আর আল্লাহ এমন ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন।” [সুরা আলে ইমরান-১৪৬]

এরপর আল্লাহ বলছেন, যখন তাঁরা কষ্টে পড়েছিলেন এবং বিপদে পড়েছিলেন তখন তাঁরা কী বলেছিলেন? তাঁরা দুশমনের ব্যাপারে কিছু বলেননি, বলেননি যে দুশমন খুব শক্তিশালী, বাতিল অনেক শক্তিশালী। না, বরং তাঁরা তৎক্ষণাত নিজের দিকে মনোনিবেশ করেছে। আর বলেছিলেন, যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَمَ كَانَ قَوْلَهُمْ إِلَّا أَن قَالُوا رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَإِسْرَافَنَا فِي أَمْرِنَا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانصُرْنَا ا عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ [٣:١٤٧]

“তাঁদের কথা শুধু এটা ছিল যে, আমাদের পাপসমুহ এবং আমাদের কাজে বাড়াবাড়িগুলো ক্ষমা করে দিন। আমাদের পাগুলোকে দৃঢ় করে দিন। আর আমাদেরকে কাফের সম্প্রদায়ের উপর বিজয় দান করুন।” [সুরা আলে ইমরান-১৪৭]

তাঁরা নিজের দিকে মনোযোগী হয়ে নিজের গোনাহের ক্ষমা প্রাথণা করেছিলেন।

আমার ভাইগণ! এটা হেদায়েতপ্রাপ্ত আন্দোলনের নিদর্শন। পক্ষান্তরে হেদায়েতের পথ থেকে বিচ্যুত আন্দোলন এ হিসাব নেয় না যে, আমরা শরিয়তের উপর আমল করছি কি করছিনা। তার সদস্যদের এ চিন্তা হয় না যে, আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত হচ্ছি নাকি সে রাস্তা থেকে বিচ্যুত। তাদের ভাবনা কী হয়? তাদের সর্বদা ভাবনা শুধু-, মানুষ আমাদেরকে সাহায্য করেনি। যদি লোকেরা আমাদের ভোট দেয় তবে সারা দুনিয়ায়, এই যমিনে এবং এ দেশে মুহুর্তে সফলতা আসবে। দুধ আর মধুর ঝরণাধারা প্রবাহিত হবে। এখানে শান্তির পরিবেশ চলে আসবে। এ আন্দোলনগুলো শান্তির যে এলান দেয় তা অনর্থক। তারা এটা দেখেনা যে, উম্মতের যে খারাপ অবস্থা, তো উম্মতের যে খারাপ অবস্থা তার সমাধান এটা হবে যে, উম্মতকে এ খারাপ অবস্থা থেকে বের করার জন্য আমরা দাঁড়িয়ে যাব। আমরা ব্যর্থ হচ্ছি, লোকেরা আমাদের দাওয়াতে সাড়া দিচ্ছেনা, মানুষ আমাদের থেকে দূরে চলে যায়, হয়তো আমাদের আমলে কোন সমস্যা আছে, হয়তো আমরা শরিয়ত থেকে দূরে সরে গেছি। এটা না! বরং তাদের সামনে শুধু একটা বিষয় থাকে। মানুষ আমাদের সমর্থন করে না। তারা মানুষকে দোষারোপ করে। তাদের মনোযোগ মানুষের দিকে থাকে। তাদের মনোযোগ হয়– মানুষ আমাদের কথা মানবে। মানুষ তাদের কথা মানবে তাদের দওয়াত কবুল করবে এজন্য তারা নিজের দিকে মনোযোগ দেয় না।

এভাবে হেদায়েতের পথ থেকে বিচ্যূত যে আন্দোলন, সে সর্বদা বাতিলকে এবং দুশমনকে ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু সে নিজের ভিতর শক্তিশালী করার ব্যাপারে কোন সময় দেয় না। তো হেদায়েত থেকে বিচ্যূত এবং গোমরাহ আন্দোলনের বড় ব্যবধান হল এটা।

আপনারা লক্ষ্য করুন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দীক্ষাপ্রাপ্ত সাহাবায়ে কেরামের কর্মপদ্ধতি আমাদের সামনে। আল্লাহর কিতাব যে তরবিয়ত করে সে পথ আমাদের সামনে। অপর দিকে যেসব লোক গোমরাহ এবং যে আন্দোলন গোমরাহ তাদের সব চেয়ে বড় উদাহরণ হল ইহুদি খৃস্টানরা। ইহুদি খৃস্টানরা যত পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিল, দুশমনের পক্ষ থেকে যত ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছিল তখন তারা কী বলেছিল? তারা বলেছিল এ বিপদ আমাদের কারণে এবং আমাদের আমলের কারণে নয়। এটা বাতিল শক্তির কারণে হয়েছে। তারা বাহিরের বিভিন্ন কারণ বিপদের উৎস মনে করত। বরং তারা বলত

وَقَالَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَىٰ نَحْنُ أَبْنَاءُ اللَّهِ وَأَحِبَّاؤُهُ

আর ইহুদী খৃস্টারা বলত আমরা আল্লাহর পূত্র এবং তাঁর প্রিয় মানুষ।

তারা বলত আমরা আল্লাহর প্রিয়পাত্র, আমাদের ইমান, আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্ক, আমাদের আমল শরিয়তের উপর হচ্ছে কিনা? আমাদের দাওয়াত ও কর্মে কোন সমস্যা আছে কিনা এসব তাদের আলোচনার বিষয় হয় না। বরং তারা বলত আমরা তো আল্লাহর প্রিয় মানুষ। আল্লাহ না করুন, যদি আমাদের জিহাদী তানযিম দুর্বল হয়ে যায়, জিহাদী তানযিমের সদস্যরা দুর্বল হয়ে ‍যায় তখন আমরা যেন না বলি, আমরা তো আল্লাহর প্রিয়পাত্র। আমরা তো মুজাহিদ। ভাই মুজাহিদ তো মুজাহিদ হবেই।  তাই বলে কি আমরা নিজেদের ফজিলত ও র্মযাদার ঘোষণা করে বেড়াব, আর উম্মতরে ব্যাপারে এ মন্তব্য করব যে,  যদি ভ্রান্তি ও ত্রুটি থাকে তাহলে তা শুধু উম্মতের মাঝেই রয়েছে।  উম্মত আমাদের সঙ্গ দিচ্ছে না।  যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে তা বাতিলের মাঝেই আছে।  বাতিল শক্তিশালী।  বাতিল শক্তিশালী একারণেই উম্মত আমাদের সঙ্গ দেয়নি।  আর আমরা মুজাহিদ হয়ে নিজেদের আমল, নিজেদের দাওয়াত ও কার্যক্রমের প্রতি মনোযোগ দিবো না।  এ এক বড় ব্যবধান।

এটি অনেক বড় দূর্ভাগ্য হবে যে, জিহাদি আন্দোলন যে দিকে দৃষ্টি দেওয়া দরকার সেদিকে দৃষ্টি না দেওয়া।  সর্বপ্রথম যেদিকে দৃষ্টি ফেরানো উচিত  সেদিকে পরে  দৃষ্টি ফেরানো।

প্রথম দৃষ্টি কোথায় দিতে হবে? নিজের অন্তর, নিজের আমল, নিজের দাওয়াত, নিজের কর্ম, নিজের পথ এবং নিজের মানহাজের দিকে। কোথায় আমাদের ত্রুটি হচ্ছে, কোথায় আমাদের ভুল হচ্ছে।  সেটা কোন কাজ যা করা উচিত ছিল না তা আমরা করেছি। সেটা কোন কাজ যা করা দরকার ছিল তা আমরা করিনি? যদি আমরা এই ছোট বিষয়টিকে আমাদের আন্দোলনে কার্যকর না করি তবে যতই আমরা উম্মতকে বলি ‘আমাদের দিকে আসুন’। যতই আমরা বাতিলকে দোষারোপ করিনা কেন ভবিষ্যতে আমরা দুর্বল হতে থাকব। ভবিষ্যতে আমাদের উপস্থিতিই এ উম্মতের বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। এজন্য আবশ্যক হল নিজেদের সংশোধন করে নেওয়া।

লক্ষ্য করুন, হযরত ওমর রা. বাহিনীর কমান্ডার সা’দ ইবনে আবি ওক্কাস রা.কে পত্র লিখছেন। সেখানে তিনি এ নির্দেশ দিচ্ছেন,

“فإني آمرك ومن معك بتقوى الله على كل حال”

আমি তোমাকে এবং যারা তোমার সঙ্গে আছে তাদেরকে সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ভয় করার নির্দেশ দিচ্ছি।

“فإن تقوى الله أفضل العدة على العدو وأقوى المكيدة في الحرب”

কারণ আল্লাহর ভয় শত্রুর বিরুদ্ধে সব চেয়ে উত্তম যুদ্ধাস্ত্র। এবং যুদ্ধক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী কৌশল।

এরপর তিনি বলছেন,

“وآمرك ومن معك أن تكونوا أشد احتراسا من المعاصي منكم من عدوكم”

আমি তোমাকে এবং তোমার সঙ্গীদের নির্দেশ দিচ্ছি, তোমরা শত্রুর ব্যাপারে যতটা সচেতন থাক তার চেয়েও সচেতন থাকবে গোনাহের ব্যাপারে।

এরপর তিরি বলছেন,

“فإن ذنوب الجيش أخوف عليهم من عدوهم

কারণ বাহিনীর গোনাহ শত্রুর চেয়েও অধিক ভয়ংকর।’

শত্রু কী পরিমান শক্তিশালী? তাদের শক্তিশালী হতে দাও! তাদের কাছে যে পরিমান যুদ্ধাস্ত্র থাক, যে পরিমান ড্রোন, জেট বিমান ও বি-৫২ থাক। কোন সমস্যা নেই। শুধু গোনাহ করো না, আল্লাহর সাথে সম্পর্কে ঘাটতি আসতে দিও না। যদি আল্লাহর সাথে সম্পর্কে দুর্বলতা আসে এবং শরিয়তের উপর আমল না হয় তবে স্মরণ রাখুন, আপনাদের কাছে যত অস্ত্রই থাক না কেন, সেসব অস্ত্র কোন কাজে আসবে না।

আল্লাহ তাআলা এখানে আফগানিস্তানের ইতিহাসে আমাদের দেখিয়ে দিয়েছেন। তালেবান ভায়েরা আমাদের সামনে আছে। এই ভাইদের কাছে কী ছিল? তাদের কাছে পিকা থাকতো, আর পিকা’র যে পাত থাকতো, সেটাও থাকতো অর্ধেক! তাঁদের কাছে মাইনও থাকত। কিন্তু সেগুলো কেমন? সুবহানাল্লাহ আমি এমন ভাইকে দেখেছি যিনি বিজয়ের পর বিজয়ের পর্বগুলোতে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু মটরসাইকেলে পেট্রোল দেওয়ার মত পয়সা তাঁর কাছে ছিল না। এক ভাই আমাকে আরেক জনের ব্যাপারে বলেন, সে অন্য এলাকায় যাবে সেখানে তাঁকে আরেক ব্যক্তি পেট্রোল কিনে দেবে। পেট্রোলের পয়সাটাও তাঁর কছে নাই। এই হল তাঁদের যুদ্ধের সামানাপত্র। কিন্তু এই সীমাহীন অভাবের মাঝেও আল্লাহর শোকর তাঁরা পুরা দুনিয়াকে নাকানি চুবানি খাওয়াইছে। একারণে আসল দুশমন হল গোনাহ, তাকে ভয় করতে হবে।

হযরত ওমর রা. এরপর বলেন, ‘মুসলিমরা তাঁদের দুশমনের গোনাহের কারণে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়।’ শত্রুর নাফরমানি যদি বেশী হয় তখন মুসলিমরা সাহায্য প্রাপ্ত হয়। যদি এমনটা না হয় তবে তাদের মোকাবেলায় আমাদের শক্তি কুলাবে না। কারণ আমাদের লোক সংখ্যা তাদের লোক সংখ্যার সমান নয়, আমাদের উপকরণ তাদের উপকরণের সমান নয়। ‘যদি নাফরমানিতে আমরা উভয়ে বরাবর হই তবে শক্তিতে তারা আমাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হবে।’

দেখুন! পাকিস্তানি বাহিনী, যদি আমরা তাদের চেয়ে বেশী গোনাহ করি, যদি আমাদের হাতে মুসলমানদের রক্ত প্রবাহিত হয়, আমাদের যবান দ্বারা যদি মুসলমানদের সম্মান হানি হয়। আমরা মুসলমানদের রক্ষক হতে চাই, কিন্তু আমাদের হাতেই যদি তাঁদের জান মালের ক্ষতি সাধন হয়। আমরা আর এই বাহিনী যদি গোনাহে বরাবর হই তবে তো তাদের শক্তি এমনিতেই বেশী। তাদের সাথে আমেরিকা আছে,তার কাছে অনেক কিছু আছে। তাদের সাথে ন্যাটো আছে, চীন আছে এবং আরো অনেক কিছু আছে। আর আমাদের সাথে যদি আল্লাহ না থাকে তবে কিভাবে আমরা সফল হতে পারব। আসল প্রশ্ন হল, কে গোনাহে কম আর কে বেশী?

হযরত ওমর রা. এরপর বলেন, যদি আমরা নেক আমল গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার মাধ্যমে তাদের উপর বিজয় হতে না পারি হবে শক্তি দিয়ে তাদেরকে পরাস্ত করতে পারব না। তিনি এরপর বলেন,‘মনে রেখ! তোমাদের সাথে সম্মানিত ফেরেশতাগণ আছেন তোমরা যা কিছু করছ তাঁরা তা লিখে রাখছে। অতএব তাঁদেরকে লজ্জা করো।’ ‘আল্লাহর রাস্তায় থেকে আল্লাহর সাথে নাফরমানি কর না।’

‘আর বল না’ এটি গুরুত্বপূর্ণ কথা, আর তোমরা বল না যে আমাদের দুশমন আমাদের চেয়ে নিকৃষ্ট, তারা কিছুতেই আমাদের উপর বিজয়ী হতে পারবে না। যদিও আমরা গোনাহ করি। আমরা যদি শরিয়তের উপর আমল নাও করি তবুও এই বাহিনী আমাদের উপর জয় লাভ করতে পারবে না। ভাই আমরা তো মুজাহিদ। আমরা মুজাহিদের স্টিকার লাগিয়েছি। আমরা স্টাম্পে নাম লিখিয়েছি। ব্যস, আমরা মুজাহিদ। আমাদের উপর কে জয়ী হবে?। এটা হতে পারে না। দুশমন আমাদের উপর জয়ী হতে পারবে না যদিও আমরা গোনাহ করি।

ওমর রা. বলছেন, কখনও মনে করো না যে দুশমন আমাদের উপর বিজয়ী হতে পারবে না, যদিও আমরা গোনাহ করি।

এরপর তিনি বলছেন, ‘কারণ কত সম্প্রদায়ের উপর তাদের চেয়ে নিম্ন শ্রেণীর লোকেরা জয় লাভ করেছে। যেমন বনি ইসরাইলের উপর মূর্তিপূজারী কাফেরদের চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল যখন তারা আল্লাহর নাফরমানি করেছিল। তারা তাদের জনপদের অলিগলিতে ঢুকে পড়েছিল। আর তা ছিল (আল্লাহর) অবশ্যম্ভবী প্রতিশ্রুতি।’ বনি ইসরাইল যখন আল্লাহর নাফরমানি করেছিল তখন আল্লাহ তাদের উপর ঐ সময়ের নিম্নশ্রেণীর কাফের মূর্তিপূজারীদের চাপিয়ে দিয়েছিলেন। আর তারা বনি ইসরাইলের ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছিল।

তো এভাবে, যদি কোন দল আল্লাহর নাফরমানি করে তবে আল্লাহ সে দলের উপর তাদের চেয়ে নিম্নশ্রেণীর কাফেরকে চাপিয়ে দিবেন। আপনারা এটা বুঝবেন না, আমরা মুজাহিদ। আমাদের উপর শুধু ঐ লোকদের চাপিয়ে দেওয়া হবে যারা আমাদের চেয়ে নেককার। নিয়ম এটা নয়। আমরা যদি গোনাহ থেকে বেচে না থাকি, আমরা যদি শরিয়তের কথা মনে না রাখি, আমরা যদি ইলম ও সুন্নাহ মতে না চলি, আল্লাহর নাফরমানি করতে থাকি এবং অন্যায় করি তবে আল্লাহ আমাদের উপর ঐ লোকদের চাপিয়ে দিবেন যারা আমাদের চেয়ে অনেক খারাপ।

আমার ভাইগণ! আমরা জিহাদী দলগুলো পৃথিবীর যে স্থানে পরিস্থিতির শিকার হয়েছি। আমরা শামে বিপদে পড়েছি, ইরাকে বিপদে আছি, পাকিস্তানে বিপদে আছি, কয়েক বছর পূর্বে আমরা জাজিরাতুল আরবে বিপদে পড়েছিলাম। আমাদের স্মরণ রাথতে হবে, যত বিপদই এসেছে তা দাওয়াত ও জিহাদী কাজের কারণে নয়। বরং এসব বিপদ দাওয়াত ও জিহাদের মানহাজের উপর আমল না করার কারণে হয়েছে। এ বিপদগুলো আমাদের গোনাহের কারণে হয়েছে। এসব আমাদের দাওয়াত ও কর্মে ত্রুটি হয়ে যাওয়ার কারণে হয়েছে। একারণে আমরা আল্লাহর এ দীনি রাস্তার বদনামের কারণ হয়ে আছি। তাই আমাদের নিজেদেরকে সংশোধন করতে হতে। আমাদের ভুল ভ্রান্তি ও গোনাহের দিকে মনোযোগ ‍দিতে হবে।

দেখুন, এ উম্মতের মধ্যে আল্লাহ যাদের দ্বারা কাজ নিয়েছেন, যাদের কারণে উম্মত মর্যাদাবান হয়েছে আল্লাহ ইসলামের নাম আলোকিত করেছেন তাঁরা নিজেদের আমলে অনেক যত্নবান ছিলেন।

সালাহুদ্দিন আইয়্যুবী রহ. সম্পর্কে বলা হয়। তিনি রাতে উঠতেন এবং নিজের সৈনিকদের দেখাশোনা করতেন। তিনি দেখতেন, কোথাও এমন কোন সৈনিক নেই তো, আগামী কাল হামলা হবে অথচ সে শুয়ে ঘুমাচ্ছে। ইবাদত করছে না?! বলা হয়, তিনি এক তাঁবুর কাছে আসলেন। এবং দেখলেন সেখানে এক মুজাহিদ ঘুমিয়ে আছে, তিনি সাথে সাথে সব মুজাহিদকে সেখানে ডাকলেন। এবং বললেন, পরাজয় এখান থেকে আসবে। এই তাঁবু থেকে পরাজয় আসবে। কেন? কারণ সে আল্লাহর কাছে চাচ্ছে না। কারণ সে ঘুমিয়ে আছে। কারণ সে ইবাদত করছে না। অথচ সেটা নফল ও মুস্তাহাব ইবাদত। কিন্তু যারা আল্লাহর নৈকট্যশীল বান্দা যদি তাঁদের নফল ও মুস্তাহাব আমল নষ্ট হয় তবে তাঁরা এতটা পেরেশান হয়ে যান, যেন তাঁরা গোনাহ করে ফেলেছেন। এ কারণেই আল্লাহ তাঁদের দ্বারা দীনের সাহায্য নিয়েছেন। তাঁদেরকে এত বড় মর্যাদা দান করেছেন।

আমার ভাইগণ! এ বাস্তবতাও তো আমদের সামনে আছে। আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, বাতিলের কাছে যত শক্তিই থাক না কেন। তাদের কাছে যে পরিমান যুদ্ধাস্ত্রই থাক না কেন,তারা হল অন্ধকারের মত। তারা কি? তারা অন্ধকার। অন্ধকারের নিজস্ব কোন বাস্তবতা নেই। যখনই আলো জ্বালানো হবে অন্ধকার তখনই নিজে নিজে বিদায় নিবে। আলো না থাকাকে তো অন্ধার বলে। যেখানে আলো থাকে না, মানুষ বলে সেখানে আঁধার। আর যেখানেই আলো আসবে সেখান থেকেই আঁধার শেষ হয়ে যাবে। এটাই হচ্ছে হক ও বাতিলের উদাহরণ। যখন হক আসবে, এবং তা প্রকৃত অর্থে হক হবে। সে হকের দাওয়াত ও কর্মে এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্কে শক্তি থাকবে তখন এটা হতেই পারে না যে বাতিল তার সামনে টিকে থাকবে। আজ পাকিস্তানে এবং যেখানেই বাতিল বিজয়ী আছে তার কারণ এটিই। প্রকৃত অর্থে হক নেই। যদি হক আসে, আমাদের আমল, অন্তর, আমাদের ভিতর বাহির, আমাদের দাওয়াত ও কর্মে যদি আল্লাহর উদ্দেশ্য মতে কাজ করতে পারি তবে স্মরণ রাখুন, অতিসত্তর বাতিল খতম হয়ে যাবে। এটা হতেই পারে না যে বাতিল তার সামনে টিকে থাকবে। বাতিল এমনিতেই খতম হয়ে যাবে। কারণ আল্লাহ তো বলেছেন,

 

وَلَا تَهِنُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَنْتُمُ الْأَعْلَوْنَ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِين ؀

তোমরা দুঃখিত হয়ো না, তোমরা হীনবল হয়ো না তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।

 

 

 

আস-সাহাব মিডিয়া থেকে প্রকাশিত উস্তাদ হাফিজাহুল্লাহ’র ভিডিও বয়ান থেকে আন নাসর মিডিয়া কর্তৃক বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।

জিলহজ ১৪৪০ হিজরী মোতাবেক আগস্ট ২০১৯ ইংরেজি

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

Peaceful Quran Recitation – Surah Al Muzzammil (المزمل) ┇ Abu Ahmad Al Hindi ┇ Ummah Studio

Peaceful Quran Recitation – Surah Al Muzzammil (المزمل) ┇ Abu Ahmad Al Hindi ┇ Ummah Studio

  Ummah Studio পরিবেশিত Surah Al Muzzammil (المزمل)   Abu Ahmad Al Hindi   ডাউনলোড ...