সর্বশেষ
সম্মানিত ভিজিটর! গাজওয়াতুল হিন্দ ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস- 82.221.136.58, ব্রাউজিং করতে সমস্যা হলে আইপি দিয়ে প্রবেশ করুন!
Home / মিডিয়া / আন-নাসর মিডিয়া / ১৪৪০ হিজরীর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদীস মৌলবী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদাহ হাফিযাহুল্লাহ’র বার্তা

১৪৪০ হিজরীর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদীস মৌলবী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদাহ হাফিযাহুল্লাহ’র বার্তা

 

১৪৪০ হিজরীর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদীস
মৌলবী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদাহ হাফিযাহুল্লাহ’র বার্তা

ডাউনলোড করুন
WORD

https://up.top4top.net/downloadf-1316uaayf1-docx.html
https://archive.org/details/amirulmuminin_barta
https://www.mediafire.com/file/l2i0uwyebl28bcb/amirul_muminin_barta-1440.docx/file
https://jmp.sh/v/liFcIPhTAY8toBofgUmQ

PDF
https://up.top4top.net/downloadf-1316ih7js2-pdf.html
https://archive.org/details/amirulmumininbarta1440
https://www.mediafire.com/file/b9rvty28fj37zza/amirul_muminin_barta-1440.pdf/file
https://jmp.sh/v/MJ63Ag3AfaquJStKyCMc

——————————–

https://justpaste.it/EmirBangla

PDF
https://anonfiles.com/mf8aS72cn8/amirul_muminin_barta-1440_pdf

Word
https://anonfiles.com/r582S623n9/amirul_muminin_barta-1440_docx


১৪৪০ হিজরীর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে আমীরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদীস
মৌলবী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদাহ হাফিযাহুল্লাহ’র বার্তা
بسم الله الرحمن الرحیم.
الله أکبر الله أکبر، لا إله إلا الله والله أکبر، الله أکبر ولله الحمد.
إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله.
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছেন-
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ ﴿الكوثر: ٢﴾
“অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কুরবানী করুন।” (সূরা কাউসার : ২)
قُلْ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿الأنعام: ١٦٢﴾
“আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কুরবানী এবং আমার জীবন ও মরণ বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহরই জন্যে।” (সূরা আন‘আম : ১৬২)
وَإِن جَنَحُوا لِلسَّلْمِ فَاجْنَحْ لَهَا وَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿الأنفال: ٦١﴾
“আর যদি তারা সন্ধি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে তুমিও সে দিকেই আগ্রহী হও এবং আল্লাহর উপর ভরসা কর। নিঃসন্দেহে তিনি শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত।” (সূরা আনফাল : ৬১)
পবিত্র হাদীস শরীফে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
عَنْ أَنَسٍ قَالَ ضَحَّى النَّبِىُّ -صلى الله عليه وسلم- بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ أَقْرَنَيْنِ ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ وَسَمَّى وَكَبَّرَ وَوَضَعَ رِجْلَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا. . رواه مسلم
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’টি ধূসর বর্ণের বা সাদা-কালো রংয়ের শিংওয়ালা দুম্বা কুরবানী করেছেন। তিনি নিজ হাতে তা যবেহ করেছেন। তিনি তাঁর নিজের এক পা দিয়ে এর পাঁজর দাবিয়ে রেখে বিসমিল্লাহ্ ও আল্লাহু আকবার বলে যবেহ করেছেন।” (সহীহ মুসলিম)
وعن عائشة رضي الله تعالی عنها، قالت قال رسول الله صلی الله علیه وسلم، ما عمل ابن أدم من عمل یوم النحر أحب إلی الله من إهراق الدم و إنه لیؤتی یوم القیامة بقرونها و أشعارها و أظلافها، و إن الدم لیقع من الله بمکان قبل أن یقع بالأرض فطیبوا بها نفسها. رواه الترمذی و ابن ماجه.
হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “কুরবানীর দিন আদম সন্তান এমন কোন কাজ করতে পারে না- যা মহামহিম আল্লাহর নিকট রক্ত প্রবাহিত করার (কুরবানীর) তুলনায় অধিক পসন্দনীয় হতে পারে। কুরবানীর পশুগুলো কিয়ামতের দিন এদের শিং, খুর ও পশমসহ উপস্থিত হবে। কুরবানীর পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার পূর্বেই মহান আল্লাহর নিকট সম্মানের স্থানে পৌঁছে যায়। অতএব, তোমরা আনন্দ সহকারে কুরবানী কর।” (তিরমিযী ও ইবনে মাযাহ)মু‘মিন মুজাহিদ আফগান জাতি, রণাঙ্গনে অবস্থানরত দুঃসাহসী মুজাহিদীনে কেরাম ও বিশ্বের সকল মুসলিমদের প্রতি-
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ.
সর্বাগ্রে বরকতময় ঈদুল আযহার আগমন উপলক্ষ্যে আমি আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা ও আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি৷ আল্লাহ তা‘আলা আপনাদের কুরবানী, সাদাকাহ, হজ্জ্ব ও জিহাদী খেদমাতসহ সকল ইবাদাত কবুল করে নিন৷ আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন।
আমার আশা যে, আপনারা এই বরকতময় সময়গুলোতে আনন্দ উদযাপন করবেন এবং ঈদের নামায, কুরবানীর পশু যবেহ ও অন্যান্য ইবাদাতগুলো সুন্দরভাবে সম্পাদন করবেন। আরো প্রত্যাশা যে, ঈদের *দিনগুলো আপনারা পরিপূর্ণ ইখলাস, ভ্রাতৃত্ববোধ, সহানুভূতি ও মহব্বত-ভালবাসার সাথে যাপন করবেন। আমি সকল দ্বীনদার ও স্বদেশীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছে আশাবাদী যে, আপনাদের বাড়ির পাশে যে সকল অসহায়, এতীম, বিধবা ও বন্দী ভাইদের পরিবার রয়েছে, আপনারা সাধ্যানুযায়ী তাদের প্রতি আপনাদের সহায়তার হাত সম্প্রসারণ করবেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেন-
لِّلَّذِينَ أَحْسَنُوا الْحُسْنَىٰ وَزِيَادَةٌ وَلَا يَرْهَقُ وُجُوهَهُمْ قَتَرٌ وَلَا ذِلَّةٌ أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿يونس: ٢٦﴾
“যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশী। আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা কিংবা অপমান। তারাই হল জান্নাতবাসী, এতেই তারা বসবাস করতে থাকবে অনন্তকাল।” (সূরা ইউনুস : ২৬)হে মুজাহিদ ভাইয়েরা!
আপনাদের প্রতি আমার বার্তা হচ্ছে- আপনারা আপনাদের মু’মিন ভাইদের খেদমত ও সুখ-সমৃদ্ধির পথে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করুন। ঈদের দিনগুলোতে তাদের পরিপূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন। স্বজাতির নিরাপত্তা ও আনন্দ পরিবেশ নিশ্চিতকরণে আপনারা সকল ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করুন। আপনারা আপনাদের শহীদ ও বন্দী ভাইদের পরিবার-পরিজনদের দেখাশুনা করুন ও তাদের প্রতি নিজেদের সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।হে মুমিন দেশবাসী!
আল্লাহর রাহে আমাদের এ সশস্ত্র জিহাদ ও শত্রুদের সাথে আমাদের যাবতীয় রাজনৈতিক আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, দখলদারিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটানো ও আফগানিস্তানে ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠা করা৷ আমাদের বিশ্বাস, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র অর্জন করা ও তাতে ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠা করার মাঝে আফগানিস্তানের সকল দলগুলোরই কল্যাণ নিহিত রয়েছে৷
দেশে যেন ন্যায়-ইনসাফের শাসন, প্রকৃত রাজনীতি, শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবকাঠামো ও মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা কায়েম হয় এবং সামাজিক জীবন হয় সুখ-স্বাচ্ছন্দময় ও লোকেরা যেন ইসলামি সংস্কৃতির সকল সৌন্দর্য ও সুবিধা উপভোগ করতে পারে আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি৷ সামাজিক পরিষেবা প্রকল্পের সংরক্ষণ করা, নিরপেক্ষ দাতব্য সংস্থা জোরদার করা এবং জাতীয় সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করা ও দেশকে ব্যাপক অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের শাসনকার্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য৷আমাদের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণকারী আফগানদের প্রতি আমাদের বার্তা হচ্ছেঃ
আমরা আপনাদের জন্য একমাত্র কল্যাণই কামনা করে থাকি৷ বিশ্বাস করুন, আমরা কিছুতেই চাই না যে, আপনারা দুনিয়া ও আখেরাতে কষ্টে নিপতিত হন৷ কেবলমাত্র শত্রুদের পক্ষে আপনাদের অবস্থান গ্রহণ করার কারণেই আমরা আপনাদের বিরোধিতা করে থাকি৷ আপনাদের হাজার হাজার বন্দী সৈনিকদের মুক্তি প্রদান করার মাধ্যমে আমরা প্রমাণ দিয়েছি যে, আপনারা যদি শত্রুদের পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করা থেকে বিরত থাকেন তাহলে আপনারা আমাদের ভাইয়ে পরিণত হবেন৷ আপনারা কি একটি বারের জন্যও ভেবে দেখেছেন যে, আপনারা যখন দখলদারদের পক্ষপাতিত্ব করে দেশ প্রতিরক্ষার দায়ে স্বদেশবাসীদের হত্যা করেন তখন আপনারা কাদের হাত থেকে এ দেশকে মুক্ত করতে চাচ্ছেন? সুতরাং আসুন, আমরা সম্মিলিতভাবে দেশকে স্বাধীন করা ও জিহাদী স্বপ্ন পূরণের সুবর্ণ সুযোগকে কাজে লাগাই এবং দখলদারদেরকে এ দেশ থেকে বিতারণ করার জন্য ও দেশে ইসলামি হুকুমত প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি৷ যেন তাদের দুর্ভোগ ও সুদীর্ঘ ট্র্যাজেডি থেকে আমাদের জনগণ মুক্তিলাভ করে শান্তি ও নিরাপত্তার মাঝে শ্বাস ফেলতে পারে৷

মার্কিন অফিসারদের প্রতি আমাদের বার্তা হচ্ছেঃ
হে মার্কিনিরা! তোমাদের গত আঠারো বৎসরের বিভিন্ন রকমের সামরিক কৌশল ব্যর্থ হওয়া-ই তোমাদের জন্য এ যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের কথা বিবেচনা করার জন্য যথেষ্ট৷ আর উভয় পক্ষের মাঝে যেহেতু ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ইমারতে ইসলামিয়্যাহ এই ময়দানে পূর্ণ উদারতার সাথে কাজ চালিয়ে যাওয়া অব্যাহত রেখেছে এবং ইমারতের রাজনৈতিক ব্যুরো এই পথে আগে আগে আন্তরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন ও বর্তমানে দলের রাজনৈতিক ডেপুটি সকলের সাথে আলোচনা প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন ও ইতিমধ্যে তিনি একটি শক্তিশালী গ্রুপকে তা পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন৷ তাই তোমাদেরও উচিত যে, তোমরাও সততা ও আন্তরিকতার সাথে আলোচনা প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে৷ যেন আমরা এ সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করতে পারি এবং যেন আমরা এই বিয়োগান্তক ট্র্যাজেডির ইতি টানতে পারি৷
হে মার্কিনিরা! তোমাদের আলাপ-আলোচনা জারী করা সত্ত্বেও একই সময়ে অন্ধসুলভ বিমান হামলা জোরদার করা এবং বিভিন্ন হামলায় বেসামরিকদের লক্ষ্যস্থল বানানো এবং তোমাদের বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তার বিরোধপূর্ণ বিবৃতি উৎকন্ঠার উদ্রেক করে ও আলোচনা প্রক্রিয়া সম্পর্কে তোমাদের ইচ্ছার ব্যপারে সন্দেহের সৃষ্টি করে৷ আর পারস্পরিক বিশ্বস্ততা যেহেতু সফল আলোচনা প্রক্রিয়ার জন্য পূর্বশর্ত, তাই এ ধরণের নেতিবাচক আচরণ বন্ধ করা একান্ত অপরিহার্য৷

হে আত্মমর্যাদাশীল মর্দে মু’মিন আফগান জাতি!
আমাদের এই বছরের ঈদুল আযহা উদযাপন করার মাধ্যমে ইংরেজদের দখলদারিত্ব থেকে আমাদের এই ইসলামী ভূখন্ড স্বাধীন করার একশত বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই হিসাবে আমাদের আবশ্যকীয় কর্তব্য হলো: আমাদের দেশের মর্যাদাবান ব্যক্তিদের কাছে এবং বিশেষকরে তাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তাদের দেশের গৌরবময় ইতিহাস ও তাদের পূর্বসূরি মুজাহিদীনের ইতিহাস পাঠ করে শুনানো। যার দ্বারা স্বাধীনতার প্রাণশক্তি অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারে এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিহাদের মাধ্যমে আমরা এই দেশে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করার ও পরিপূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করার পর্যায়ে পৌঁছাতে পারি।
স্বাধীনতার ফাঁকা স্লোগানের স্তুতি গাওয়া ও দেশে বিদ্যমান বিদেশী দখলদারিত্বের অধীনে থেকে সে দিনটিকে উদযাপন করা একটি অর্থহীন কাজ। তাই আমাদের জন্য অবশ্য কর্তব্য হলো: বর্তমান দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা, যেমনভাবে আমাদের বাপ-দাদারা একশ বৎসর পূর্বে ইংরেজ দখলদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।

ইমারাতে ইসলামিয়াহ’র বীর সৈনিক মুজাহিদীন!
কুরবানী ও ঈদের দিনগুলোতে ক্বিতালের ময়দানে আপনাদের বিদ্যমান থাকা এবং মু’মিন সম্প্রদায়ের ও দ্বীনের প্রতিরক্ষার জন্য আল্লাহর রাস্তায় আপনাদের পুণ্যাত্মগুলো সামনে অগ্রসরমান হওয়া; এটি প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি বিশেষ দয়া ও অনুগ্রহ যে, তিনি এই বরকতময় পথে আপনাদেরকে নির্বাচন করেছেন। আর নিশ্চয় আপনারা আল্লাহ তা‘আলার নিম্নোক্ত বাণীর সত্যায়নের অধিকারী হবেন, ইনশা আল্লাহ। তা হচ্ছে-
وَفَضَّلَ اللَّهُ الْمُجَاهِدِينَ عَلَى الْقَاعِدِينَ أَجْرًا عَظِيمًا ﴿النساء: ٩٥﴾
“আল্লাহ মুজাহিদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন।” (সূরা নিসা : ৯৫)
সুতরাং আপনারা আল্লাহ তা‘আলার একনিষ্ঠ ইবাদাত-বন্দেগীর মাধ্যমে ও মু’মিন বান্দাদের খেদমতের মাধ্যমে তাঁর কৃতজ্ঞতা আদায় করুন। আর আপনারা এ কথার উপর অকাট্য বিশ্বাস রাখুন যে, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর পথে আপনাদের প্রদত্ত কুরবানীকে কখনো বিনষ্ট করবেন না। নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা অচিরেই আপনাদের জিহাদী বাসনাকে আপনাদের কুরবানীর দ্বারা দুনিয়াতে বাস্তবায়ন করবেন এবং আখিরাতে তার বিনিময়ে মহা পুরস্কারে আপনাদেরকে ভূষিত করবেন, ইনশা আল্লাহ।
পরিশেষে বরকতময় ঈদুল আযহার আগমন উপলক্ষ্যে আমি আপনাদের সকলকে আবারো মোবারকবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি আল্লাহ তা‘আলার কাছে প্রার্থনা করছি যে, তিনি যেন সামনের ঈদকে পরিপূর্ণ স্বাধীনতার নেয়ামত দ্বারা ভরপুর করে আমাদেরকে ফিরিয়ে দেন, যাতে করে আমরা ইসলামী শাসনব্যবস্থার ছায়াতলে তা উদযাপন করতে পারি। আর তা আল্লাহ তা‘আলার জন্য মোটেই অসম্ভব কিছু নয়। ওয়াসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।

আমিরুল মু’মিনীন শাইখুল হাদীস মৌলবী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদাহ হাফিযাহুল্লাহ
আমীর, ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান

৭ জিলকদ ১৪৪০ হিজরী
৮ আগস্ট ২০১৯ ইংরেজী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

AQAP | Bengali Translation| চিন্তাধারা সিরিজ- ১৭ | প্রতিরোধের সুন্নাহ -শাইখ কাসিম আর-রীমি রহিমাহুল্লাহ Al-Hikmah Media Presents

مؤسسة الحكمة আল হিকমাহ মিডিয়া Al-Hikmah Media تـُــقدم পরিবেশিত Presents الترجمة البنغالية বাংলা অনুবাদ Bengali ...