Templates by BIGtheme NET
BREAKING NEWS
Home / সংবাদ / খোরাসান / বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে আসা আফগান তালেবানদেরকে নিয়ে ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকার জঘন্য মিথ্যাচার- একটি সরল বিশ্লেষণ।

বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে আসা আফগান তালেবানদেরকে নিয়ে ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকার জঘন্য মিথ্যাচার- একটি সরল বিশ্লেষণ।

গত ২১ শে জুন ২০১৮, তারিখে ‘কালের কণ্ঠ’ নামক একটি তাগুতপন্থী পত্রিকা তাদের অনলাইন ভার্সনের ওয়েবসাইটে ইসলামী ইমারত আফগানিস্তানের মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে অপবাদ, মিথ্যাচার এবং অপপ্রচারে পরিপূর্ণ “আফগানিস্তানে শান্তি চাইছে ক্লান্ত তালেবান” এরকম চাতুরতাপূর্ণ শিরোনামে একটি সংবাদ পাবলিশ করেছে। তারা সংবাদটিতে দলিলবিহীন এমন সব তথ্য সংযোজন করেছে যা অতিমাত্রায় হাস্যকর এবং প্রতিনিয়ত মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে অপবাদ ও মিথ্যা প্রচারণার অংশ। আজ আমরা দলিলসহ তাদের প্রকাশিত সংবাদটির সত্যতা কতটুকু এবং তাদের চাতুরতাপূর্ণ বক্তব্যটি – আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। তবে, তার আগে কিছু কথা বলে নিচ্ছি- মুজাহিদগণ বর্তমান ফেতনা, রাহাজানি, অনিরাপত্তার জামানাকে পরিবর্তন করে ইসলামী শাসনের সুশীতল ছায়াতলে শান্তি, নিরাপত্তার একটি জামানা নিয়ে আসার প্রচেষ্টা করে যাচ্ছেন। আর, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা বেছে নিয়েছেন সেই পদ্ধতি যার কথা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনুল কারীমে ঘোষণা করেছেন এবং আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ জীবনে যার বাস্তবায়ন করে গেছেন। সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) এর জীবনীতে আমরা এই পন্থার সফলতার বাস্তবতা প্রত্যক্ষ করেছি। সুতরাং, ফেতনা নিঃশেষ করে শান্তি আনার একমাত্র যে উপায় পবিত্র কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতে বলা হয়েছে সেই পদ্ধতিতেই ‍মুজাহিদগণ এগিয়ে চলেছেন এবং কুরআন-হাদিসকে নিজেদের পথ নির্দেশক বানিয়েছেন। আল্লাহ তা’য়ালা বলেন-

وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ لِلَّهِ ۖ فَإِنِ انتَهَوْا فَلَا عُدْوَانَ إِلَّا عَلَى الظَّالِمِينَ [٢:١٩٣]

আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়। অতঃপর যদি তারা নিবৃত হয়ে যায় তাহলে কারো প্রতি কোন জবরদস্তি নেই, কিন্তু যারা যালেম (তাদের ব্যাপারে আলাদা)।

সুতরাং, আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা হওয়ার শর্ত ব্যতীত কোন শান্তি আলোচনাই কারো থেকে গ্রহণযোগ্য নয় এবং ফেতনা দূরীভূত করাও সম্ভব নয়। তবে, শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজি আছে এমন কারো সাথে শরয়ী নিয়মনীতি অনুসরণ করে আলোচনায় বসতে কোন অসুবিধা নেই।

এখন আসি মূল আলোচনায়:-

‘কালের কণ্ঠ’ নামক পত্রিকাটির প্রকাশিত “আফগানিস্তানে শান্তি চাইছে ক্লান্ত তালেবান” চাতুরতাপূর্ণ শিরোনামের সংবাদটির প্রথম বাক্যটি নিম্নরূপ-

“অনেক হয়েছে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা। এবার চাই ছুটি চাই। শরীর জুড়ে গ্রাস করেছে একরাশ ক্লান্তি।”

তারা আফগানিস্তানের মিথ্যাবাদী কাবুল প্রশাসনের বরাতে তালেবানদের এই বক্তব্য উল্লেখ করেছে। যা আদৌ সত্য কি না তা আপনাদের বিবেচনাধীন করার জন্য, এ বিষয়ে কিছু যৌক্তিক দলিল নিচে উল্লেখ করছি:-

প্রথমত, কালের কণ্ঠ’ পত্রিকাটির দাবি, আফগান সরকারের প্রশাসনিক কর্তারা তালেবানদের সাথে বৈঠকে তালেবান নেতারা নিজেদের ক্লান্তির কথা জানিয়েছেন। অথচ, তালেবান মুজাহিদীনের পক্ষ থেকে বরাবরই এ সমস্ত গোপন বৈঠকের কথা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং এগুলোকে ভ্রান্ত এবং অপপ্রচার বলা হয়েছে। নিচে এই ব্যাপারে তালেবান মুজাহিদীনের ইংলিশ অফিসিয়াল সাইটে প্রকাশিত বার্তাগুলোর কিছু কথা উল্লেখ করা হলো-

‘Reaction by spokesman of Islamic Emirate regarding rumors of talks in Azerbaijan’ এই শিরোনামের বার্তায় [বার্তাটির লিংক: http://alemarah-english.com/?p=30909 ] ২৬ শে জুন  তালেবানদের একজন সুপরিচিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আজারবাইজানসহ আরো কিছু দেশে কাবুল প্রশাসনের লোকদের সাথে বৈঠকের বিষয়টিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং একে গুজব বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, ইসলামী ইমারতের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়াবলি ইসলামী ইমারতের নিজস্ব মিডিয়াগুলোতে প্রকাশিত হবে।

এছাড়াও, ‘Remarks by spokesman of Islamic Emirate concerning claims by Kabul appointed official for Kandahar’ এই শিরোনামের একটি বার্তায় [বার্তাটির লিংক: http://alemarah-english.com/?p=31024 ] ২৯ শে জুন আফগানিস্তান ইসলামী ইমারতের মুখপাত্র ক্বারী মুহাম্মদ ইউসুফ আহমদী সুস্পষ্ট ভাষায় কাবুলের মুরতাদ প্রশাসনের ‘তালেবান-কাবুল প্রশাসন বৈঠক’ সম্পর্কে মিথ্যাচারের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি এ ধরণের কোন বৈঠকই অনুষ্ঠিত হয়নি এবং  আফগানিস্তানের স্বাধীনতার মত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোন অজ্ঞাত পক্ষের সাথে আলোচনায় বসতেও চাননা  বলে জানিয়েছেন। তিনি আরো জানিয়েছেন, ইসলামী ইমারতের আলোচনানীতি সুস্পষ্ট এবং এর মাঝে কোন পরিবর্তন হয়নি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইসলামী ইমারত কাবুল প্রশাসনের সাথে কোন বৈঠক করেনি, আর যদি কখনো করেও তবে তা তাঁদের নিজস্ব প্রচার মাধ্যমগুলোতে অবশ্যই প্রচার করা হবে।

অতএব, উপরোক্ত দুইটি বার্তা আমাদের কাছে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট করেছে যে, আফগান(মূলত কাবুল) প্রশাসনের সাথে তালেবানরা কোন প্রকার আলোচনা করেননি। তাই, এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে ‘কালের কণ্ঠ’ নামক পত্রিকাটির দাবি মিথ্যা এবং পত্রিকাটির কোন সংবাদই যাচাই করা ব্যতীত গ্রহণ করা যাবে না।

কালের কণ্ঠ’ পত্রিকার সংবাদটিতে আরো বলা হয়েছে, ‘আফগান প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পরে প্রায় ৩০ হাজার তালেবান যোদ্ধা নিজেদের বাড়িতে গিয়েছিল ইদ পালন করতে। তাদের অনেকেই পরে আর যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যায়নি। ’

মিথ্যাবাদী সংবাদমাধ্যমটির এ দাবিটিও অগ্রহণযোগ্য। এর কয়েকটি কারণ রয়েছে-

প্রথমত, এটি একটি মিথ্যাবাদী মিডিয়া, সুতরাং এর সংবাদগুলো যাচাই করা ব্যতীত কোনভাবেই গ্রহণ করা যাবে না।

দ্বিতীয়ত, এটি এমন এক প্রশাসনের বরাত দিয়েছে যারা বিশ্বব্যাপী মিথ্যা ছড়িয়ে যাচ্ছে, তালেবান মুজাহিদীনের নামে মিথ্যাচারে তাদের যথেষ্ট কুখ্যাতি রয়েছে। তাই, সংবাদমাধ্যমটির তথ্যসূত্রও মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত।

তৃতীয়ত, তারা এমন একদল যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এই কথা বলেছে যারা দীর্ঘ ১৭ বছর যাবৎ দেশ ও ইমান রক্ষায় বিদেশী ও দেশীয় কুফফার শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের লক্ষ্য সুস্পষ্ট, আফগানিস্তানের মাটিতে ইসলামী শরীয়ত প্রতিষ্ঠা করা এবং বিদেশী শক্তির প্রভাব মুক্ত রাখা। বর্তমানে দেশটির প্রায় ৭০% এলাকায় ঐ লক্ষ্য বাস্তবায়ন মিশনের সফলতা দেখিয়েছেন। বাকি অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধের মাধ্যমে কুফুরী শক্তির কোমর ভেঙ্গে দেওয়ার অবস্থা করেছেন। এমতাবস্থায় ঐ মিথ্যাবাদী সংবাদ মিডিয়ার উল্লেখিত দাবিটি কেবলই হাস্যকর মনে হয়! কেননা, যখন মিশন সফলতার দিকে এগুচ্ছে তখন এ ধরণের কাজ কেউই করবে বলে মনে হয় না।

চতুর্থত, এ প্রসঙ্গে ইসলামী ইমারতের অফিসিয়াল সংবাদ মাধ্যমগুলোতে কিছুই বলা হয়নি। অথচ, পূর্ববর্তী প্রত্যেক সময়ই ইসলামী ইমারতের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদী তারা নিজেদের অফিসিয়াল প্রচার মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে জাতিকে জানিয়ে দিয়েছেন। সত্য ব্যতীত তাদের পক্ষ থেকে মিথ্যা প্রচারণার দাবি কোন কুফুরী সংবাদমাধ্যমও করতে পারবে না। আর, এমন একটি বিষয় যা  ইসলামী ইমারতের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়নি তাকে ইসলামী ইমারতের সাথে সম্পৃক্ত করে কোন সংবাদ প্রচার করা নিঃসন্দেহে ইসলামী ইমারতের মুজাহিদীনের ব্যাপারে মিথ্যাচারের অন্তর্ভুক্ত। এ সংবাদ কোনভাবেই গৃহীত হতে পারেনা।

পঞ্চমত, যদি সংবাদটিকে সত্য ধরে নেই, তাহলে কারো কারো বাড়িতে বসে থাকা মুজাহিদীনের অগ্রযাত্রাকে কখনো থামিয়ে দেয়নি, আর বর্তমানেও পারেনি। বরং, মুজাহিদগণ যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর পূর্ণমাত্রায় ইসলামের দুশমনদের উপর হামলা করে যাচ্ছেন আলহামদুলিল্লাহ। তাই, কুফুরী শক্তির জেনে রাখা উচিত ইসলামের বিজয় কোন ব্যক্তি বা গোত্রের উপর নির্ভর করে না।

সর্বশেষে, আফগানিস্তানের ৭০% এলাকা তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে থাকার সুবাদে নিজের বাড়িতে ঈদ করার মাঝে কোন প্রতিবন্ধকতা দেখছি না। বরং, শত্রুঘাঁটিতে হামলা করে নিজ ঘরে পরিবারের সাথে ঘুমানোতেও তাদের কোন অসুবিধা নেই।

সুতরাং, উপরিউক্ত পয়েন্টগুলোতে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়েছে, মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ কুফুরী সংবাদমাধ্যম ‘কালের কণ্ঠ’ নামক পত্রিকাটি তুলেছে তা ভিত্তিহীন, ভ্রান্ত এবং মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বৈ নয়।

ঐ পত্রিকাটিতে আরো দাবি করা হয়, ‘দেশের অনেক জায়গায় তালেবানেরা নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে বলে রিপোর্ট পেশ করেছে ওই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তালেবানদের এই পরিস্থিতির কথা প্রকাশ্যে এসেছে আফগান রাষ্ট্রপতি আশরাফ ঘানি-র যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরে।’

তাদের উপরোক্ত দাবি রীতিমত হাস্যকর! তালেবানদের নিষ্ক্রিয়তা বলতে তারা কী বুঝাচ্ছে তা স্পষ্ট নয়! যেসকল অঞ্চল তালেবানদের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং শত্রুপক্ষের প্রভাবমুক্ত সেখানে তালেবান মুজাহিদীনের লড়াই না করাকে যদি তারা নিষ্ক্রিয়তা হিসেবে উল্লেখ করে তবে বলবো সামরিক অর্থে নিষ্ক্রিয় ঠিক আছে। কিন্তু, প্রতিদিন যে কাফের সেনাগুলো নিহত হচ্ছে তালেবান মুজাহিদীনের হাতে, সেটাও কি তালেবান মুজাহিদীনের নিষ্ক্রিয়তার পরিচয় বহন করে? তালেবানের সাথে সরকারের কথোপকথনের ইচ্ছা প্রকাশ; এটাও কি তালেবানদের নিষ্ক্রিয়তারই প্রমাণ?! নাকি বিদেশী শক্তির প্রভাবমুক্ত অবস্থায় আফগানিস্তানের প্রায় ৭০% এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ইসলামী শরীয়ত দ্বারা শাসন কার্য পরিচালনা করার মাধ্যমে তালেবানরা নিষ্ক্রিয়?!

নিয়মিত মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হওয়া শয়তানের অনুচর মিডিয়াগুলো মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে অনেক কু-প্রসিদ্ধ! তারা তালেবান যোদ্ধাদের যুদ্ধবিরতি ঘোষণাকে মুজাহিদীনের দুর্বলতা বলে প্রচার করতে চাচ্ছে। অথচ, বাস্তবতা তাদের এসকল প্রচারণার বিপরীত, যা এই সকল পশ্চিমা স্বার্থবাদী মিডিয়াগুলোর মাথামোটা প্রচারকর্মীদের মাথায় হয়তো ঢুকে না! আসলে, যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে যে, আফগানিস্তানের যুদ্ধ এখন পুরোপুরি মুজাহিদীনের নিয়ন্ত্রণে আছে, যার প্রমাণ আফগান মুরতাদ প্রশাসনের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির দিনক্ষণ প্রত্যাখান করা, উপায়হীন হয়ে মুজাহিদীনের সাথে আলোচনায় বসতে আশরাফ গনী ও তার প্রভু আমেরিকার উঠে-পড়ে লাগা! আফগানিস্তানে আমেরিকান সেনাদের অবস্থান মেয়াদ বাড়ানো।

যাইহোক, উপরিউক্ত আলোচনা শেষে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, আফগানিস্তানের তালেবান মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রকাশ করেছে ‘কালের কণ্ঠ’ নামক মিথ্যাবাদী একটি পত্রিকা। তাদের ঐ সংবাদটি মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ। পূর্বের মতই তারা মুজাহিদীনের বিরুদ্ধে নানারকম বিভ্রান্তমূলক সংবাদ পাবলিশ করে সাধারণ মানুষকে মুজাহিদীনের প্রতি আস্থাহীন বানানোর প্রচেষ্টায় লিপ্ত। কিন্তু, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদের করা প্রতিটা চক্রান্তকেই নস্যাৎ করে দিয়েছেন অতীতে এবং বর্তমানেও সেরকমই করছেন, আলহামদুলিল্লাহ। আর,  তালেবানরা ক্লান্ত নয়, বরং বিপর্যস্ত আমেরিকা ও তার গোলাম আফগান সরকারী মুরতাদ প্রশাসন!

সর্বশেষে, আমরা জনগণকে এই সকল মিথ্যাবাদী সংবাদমাধ্যমগুলোর ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। মুজাহিদীনের ব্যাপারে তো নয়ই এমনকি সাধারণ কোন সংবাদও এই সকল মিডিয়াগুলো থেকে না নেওয়ার অনুরোধ করছি। আর, মুজাহিদীনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়াদি পূর্বের মতই মুজাহিদীনের নিজস্ব অফিসিয়াল সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচার করা হবে ইনশাআল্লাহ। আর সবশেষে একটি পরামর্শ হলো- যাচাইবিহীন কোন সংবাদ মিথ্যাবাদীর কাছ থেকে গ্রহণ করবেন না।

About abu sulaiman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*