সম্মানিত ভিজিটর! গাজওয়াতুল হিন্দ ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস- 82.221.136.58, ব্রাউজিং করতে সমস্যা হলে আইপি দিয়ে প্রবেশ করুন!
Home / বিষয় / তথ্য প্রযুক্তি ও যুদ্ধকৌশল / যোদ্ধ কাঠামোর গঠন ।। শাইখ উসামা বিন লাদেন ।। এবোটাবাদ ডকুমেন্ট

যোদ্ধ কাঠামোর গঠন ।। শাইখ উসামা বিন লাদেন ।। এবোটাবাদ ডকুমেন্ট

যোদ্ধ কাঠামোর গঠন
শাইখ উসামা বিন লাদেনএবোটাবাদ ডকুমেন্টারি

এমন কিছু উপযোক্ত ব্যক্তি ও অফিসার্সের সমষ্ঠি যাদেরকে বাছায় করা হয়েছে সামরিক কমান্ডারের অধীনে কাজ করার জন্য যার হাতে থাকবে যোদ্ধাদের একঠি দল যাদেরকে তিনি পরিচালনা করবেন ময়দানে ও নিরাপদ অবস্থায়।

তাদের দয়িত্ব:
কমান্ডারকে তার বাহীনি প্রস্তুত করা, পরিচালনা করা ও নেতৃত্ব দানে সাহায্য করবে। আর ইহা এই ভাবে:
১- جمع المعلومات সার্বিক তথ্য জমা করা।
২- إعداد الأوامر و نقلهاযোদ্ধ প্রয়োজনীয় সকল বিষয় প্রস্তুত করা ও বহন করা।
৩- الإشراف على تنفيذهاএই সমস্ত জিনিসকে বাস্তবায়িত করা ক্ষেত্রে এগিয়ে আসা।
৪- تنظيم عمل المصالح المختلفة العاملة في خدمة القطعة المقاتلةযোদ্ধাদের জন্য অন্যান্য আম প্রয়োজনীয় কাজ গুলোকে বাস্তবায়ন করা।

যোদ্ধ কাঠামো গঠনের শাখাসমূহ:

প্রথম শাখা: সাংঘঠনিক অথবা ব্যাক্তিগত .. তাদের দায়িত্ব হচ্ছে: দলে বাহ্যিক শক্তির সমস্ত বিষয়ের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্বারূপ করা।

দ্বিতীয় শাখা: যোদ্ধের সার্বিক তথ্য সংগ্রহকারী .. তাদের দায়িত্ব হচ্ছে: তথ্য জমা করা ও তা বিশ্লেষণ করা।

তৃতিয় শাখা: যোদ্ধা .. তারা যুদ্ধ অবস্থা বা নিরাপদ সর্বদাই যুদ্ধের প্রশিক্ষন দিতে থাকবে। এবং আক্রমনের পরিকল্পনা গ্রহন ও যোদ্ধের সময় তা বাস্তবায়ন করতে থাকবে।

চতুর্থ শাখা: সাহায্যকারী ও রসদ সরবসাহকারী দল। তারা সর্বদা যোদ্ধাদের আর্থিক ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত সব কিছু ও যোদ্ধদের সার্বিক বিষয় সহজ করার প্রতি গুরুত্ব দিবে। যেমন: বহন করা, সাহায্য, রসদ, তৈরি করা, উদ্ভাবন ও আবিস্কার।

এখানে সংযোক্ত করা হয়েছে পঞ্চম শাখাকে: الشؤون المعنوية .. তারা যোদ্ধ চলাকালীন ও নিরাপদ সময়ে জাইসের ভিতরগত বিষয় সমূহের ব্যপারে গুরুত্ব দিবে .. এবং জনগণ বা উম্মাহর সাথে যোদ্ধাদের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখবে। যুদ্ধে আহতের চিকিৎসা করবে। “ সাধারণত তারা ই’দাদ ও যোদ্ধের সময় তৃতীয় শাখার অন্তর্ভূক্ত হয়ে কাজ করে থাকে।

আরকানে হারবের দায়িত্বশীল:
তাদের উপরে একজন প্রধান থাকবেন। যিনি হবেন কমান্ডারের বাস্তবিক সহকারী। সে দলের ভিবিন্ন কর্মকান্ডের তদারকী করবেন। তাদের যোগ্যতা ও ক্যাপাসিটি গুলোকে দেখবেন। এবং উচ্চতর বিন্যাস কাঠামোতে তার কিছু সহকারী থাকবে যাদেরকে দায়িত্বশীলের সহকারী হিসেবে লক্বব দেয়া থাকবে।
উপরের দায়িত্বশীলদের মধ্যে একটা বোর্ড থাকবে যারা কায়েদকে সাহায্য করবেন। এটা এমন কিছু অফিসার্সের সমষ্ঠি যাদের মধ্যে থাকবে তার রক্ষী ও সহচররা। এই বোর্ডের দায়িত্ব থাকবে নেতার কাজ সমূহকে সহজ করে দেয়া এবং উপরের বড় নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ করা অথবা যোদ্ধ লিপ্ত নয় এমন দলের নেতাদের সাথে যোগাযোগ রাখা।
কিন্তু যোদ্ধের ভিত্তি সমূহের মূল সহকারীর দায়িত্তপ্রাপ্তদের গঠন তাদের তানজীমী নেতৃত্বে সমস্ত উপাদান নিয়েই আপন অবস্থায় থাকবে। এবং কমান্ডারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে ডিভিশন তার উদ্দ্যেশ্য বাস্তবায়ন পযর্ন্ত দলকে পূর্ণ প্রস্তুত করা ও তাদের চলার পথকে নিশ্চিত করা সমস্ত দায়িত্ব তাদের উপরই থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর শানে বেয়াদবি কারীদের থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার তিনটি পদ্ধতি -মাওলানা মুহাম্মদ মুসান্না হাসান হাফি.

তারবিয়াহ ইস্যু-৭ | ১৪৪১ হিজরি | ২০২০ ইংরেজি শাতেমে রাসুলের ক্ষেত্রে করণীয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ...