Templates by BIGtheme NET
BREAKING NEWS
Home / সংবাদ / উপমহাদেশ / সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মুসলমানেরা ব্যাপকভাবে নিগ্রহের শিকার

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মুসলমানেরা ব্যাপকভাবে নিগ্রহের শিকার

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় একটা আতঙ্ক কাজ করছে। আর তা এ অঞ্চলের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হচ্ছে। মূলত, এসব অঞ্চলের মুসলমানেরা ব্যাপকভাবে নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন। চীনে উইঘুর মুসলমানদের উপর চলছে নিকৃষ্টপন্থায় দমন-পীড়ন। চীনা সরকার তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা সঙ্কুচিত করতে করতে এখন তা প্রান্তসীমায় নামিয়ে এনেছে। মুসলিমদেরকে ইসলাম হতে ফেরাতে তারা নানা ধরণের অভিনব কৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছে। ভারতেও মুসলমানদের উপর চলছে নির্মম জুলুম-নির্যাতন। কাশ্মিরের আত্মরক্ষা অধিকার আন্দোলনকে সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে প্রতিনিয়ত হত্যা করা হচ্ছে স্বাধীনতাকামীদের। ভারতীয় বাহিনীর জিঘাংসা থেকে রেহাই পাচ্ছে না নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। ভারতের বাংলাভাষী মুসলমানদের বাংলাদেশী আখ্যা দিয়ে তথাকথিত পুশব্যাকের বিষয়টি অতি পুরনো। আর মায়ানমারের আরাকান রাজ্যের অবস্থাতো আমাদের সামনেই আছে।
ভারতের বিজেপি শাসিত রাজ্য আসামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ৩০ লাখ বাঙালি মুসলিমকে ভিনদেশী আখ্যা দিয়েছে হিন্দু সরকার। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ‘বাংলাদেশী অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে এসব বাঙালি মুসলিমদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে। এ নিয়ে আসামজুড়ে প্রবল উৎকণ্ঠা-আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আসামে ৬০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তারা যেকোনো মূল্যে বাঙালী মুসলমানদেরকে সে দেশ থেকে বিতাড়িত করতে চায়। কারণ, ভারতের ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদীরা মুসলিমমুক্ত এক নতুন ভারতের দিবাস্বপ্নে বিভোর। কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, ‘আসামে বসবাসরত ‘অবৈধ বাংলাদেশীদের চিহ্নিত করতেই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে যাদের নাম থাকবে না, তাদের ফেরত পাঠানো হবে।’ তবে যেসব হিন্দু আসামে আশ্রয় নিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি অনুসারে তাদের আসামে আশ্রয় দেয়া হবে বলেও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ফলে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, আসাম রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্য- বিদেশী শনাক্ত নয়, বরং ‘মুসলিম খেদাও’ তাদের আসল লক্ষ্য।

About abu sulaiman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*